Main Menu

সিলেটে ছয় শতাধিক কেন্দ্রই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’!

Manual3 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৯৯২টি; তন্মধ্যে ৬০৭টি কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ।

তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোনো কেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ বলে অভিহিত করে না। তারা গুরুত্বের দিক বিবেচনা করে ‘সাধারণ’ ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে কেন্দ্রগুলোকে তালিকাভুক্ত করে। যেসব কেন্দ্রে সংঘাত, সহিংসতা, দখল, হানাহানি, মারামারি হওয়ার শঙ্কা থাকে, সেগুলোই মূলত ‘ঝুঁকিপূর্ণ’। আর এসব কেন্দ্রকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ (অধিক ঝুঁকিপূর্ণ)’ হিসেবে চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সিলেট জেলার ছয়টি আসনের ২২ লাখ ৫২ হাজার ৭৬৪ জন ভোটারের জন্য কেন্দ্র আছে ৯৯২টি। এসব কেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র আছে ৬০৭টি, বাকি ৩৮৫টি কেন্দ্রকে সাধারণ হিসেবেই ধরা হচ্ছে।

Manual2 Ad Code

সিলেটের ছয়টি আসনে মোট ভোটগ্রহণের কক্ষ আছে ৪ হাজার ৭৫৪টি।

এদিকে, সিলেট মহানগরী এলাকায় মোট ভোটকেন্দ্র আছে ২৯৩টি। তন্মধ্যে ২০২টি কেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সিলেট মহানগরী এলাকার সাধারণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তায় পুলিশ ও আনসার বাহিনীর অন্তত ১৬ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। তন্মধ্যে অস্ত্রধারী পুলিশ ৩-৪ জন থাকবেন। এ এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অস্ত্রধারী ৪-৬ জনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্তত ১৭ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন।

Manual1 Ad Code

মহানগরীর বাইরের সাধারণ কেন্দ্রে থাকবেন পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশের ১৪ জন সদস্য; তন্মধ্যে অন্তত দুজন অস্ত্রধারী থাকতে পারেন। আর ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অস্ত্রধারী ৩-৫ জনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১৫ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

Manual1 Ad Code

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গুরুত্ব বিবেচনা করে সিলেটের সকল ভোটকেন্দ্রে কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। কোনো কেন্দ্রেই কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত না করার হুশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

Manual8 Ad Code

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জেদান আল মুসা বলেন, ‘ভোটগ্রহণ কার্যক্রমে সবধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে পুলিশ।’

সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি কামরুল আহসান জানিয়েছেন, নির্বাচনে কেউ যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেদিকে বিশেষভাবে নজর রাখবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সিলেটের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসরাইল হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্বে থাকবেন। এছাড়া সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সমন্বয়ে গঠিত রিজার্ভ ফোর্স, কেন্দ্রভিত্তিক মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্সও নিয়োজিত থাকবে।’

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code