Main Menu

পলাতক ৮ আসামির হদিস জানে পুলিশ

Manual5 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট তদানীন্তন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার পলাতক ১৮ আসামির মধ্যে ৮ জনের অবস্থান জানতে পেরেছে পুলিশ। ১০ অক্টোবর বুধবার এই মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

অপরাধ তদন্ত বিভাগের অতিরিক্ত ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (এডিডিআই ডিআইজি) এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) আবদুল কাহহার আকন্দ বলেন, ‘আমরা ইন্টারপোল ও বিদেশে আমাদের মিশনগুলোর সহায়তায় ইতোমধ্যে ৮ পলাতক আসামির অবস্থান শনাক্ত করেছি এবং অপর ১০ পলাতক আসামির অবস্থান জানার চেষ্টা করছি।’

সিআইডি ও পুলিশ সদর দফতরের সূত্র অনুযায়ী, মাওলানা তাজউদ্দিন ও তার ভাই রাতুল আহমেদ ওরফে রাতুল বাবু রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকায়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে, সাবেক এমপি মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সৌদি আরবে, সাবেক মেজর জেনারেল এটিএম আমিন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম জোয়ারদার দুবাইতে, দু’ভাই- হরকাতুল জিহাদ নেতা মহিবুল মত্তাকিন ও আনিসুল মোরছালিন রয়েছে ভারতের তিহার জেলে।

Manual6 Ad Code

সূত্র জানায়, বিএনপি চেয়ারপার্সনের সাবেক বিশেষ সহকারী আবদুল হারিস চৌধুরী মালয়েশিয়ায়, লন্ডন, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতে যাতায়াতের মধ্যে রয়েছে।

তবে তৎকালীন উপ-পুলিশ কমিশনার খান সায়ীদ হাসান ও ওবায়দুর রহমান খান, হুজি নেতা মোহাম্মদ খলিল, জাহাঙ্গীর আলম বাদল, লিটন ওরফে মাওলানা লিটন, মো. ইকবাল, মুফতি শফিউর রহমান (ভৈরব) ও মুফতি আবদুল হাই এবং হানিফ পরিবহনের মালিক মোহাম্মদ হানিফের অবস্থান এখনও শনাক্ত করা যায়নি।

Manual6 Ad Code

এই মামলার চার্জশিট দাখিলের পরপরই খান সায়ীদ হাসান ওবায়দুর রহমান খানকে জরুরি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তাছাড়া মাওলানা তাজউদ্দিনকে ২০১৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি, তারেক রহমানকে একই বছরের ১৩ এপ্রিল, হারিস চৌধুরীকে ৩১ নভেম্বর এবং রাতুল বাবুকে ২০১৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি জরুরি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

Manual1 Ad Code

ইন্টারপোলের জরুরি নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে দক্ষিণ আফ্রিকার পুলিশ মাওলানা তাজউদ্দিনকে গ্রেফতার করলেও পরে সে জামিনে মুক্তি পায়। কিন্তু তিনি এখন দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধ অনুপ্রেবেশের মামলা মোকাবিলা করছেন।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান বলেন, ‘আদালত তাদের (১৮ অভিযুক্তকে) পলাতক ঘোষণা করেছেন এবং অপর ৩১ জন জেলে রয়েছে, তাছাড়া তিন জনের ফাঁসি হয়েছে।’

অন্য মামলায় যে তিন জনের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে তারা হচ্ছে সাবেক মন্ত্রী জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, হরকাতুল জিহাদ প্রধান মুফতি আবদুল হান্নান ও অপর জঙ্গি নেতা শহিদুল আলম বিপুল।

রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিনের আদালতে একুশে আগস্টের ঘটনায় আনা পৃথক মামলায় একই সঙ্গে গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিচার শেষ হয়।

Manual5 Ad Code

২১ আগস্টের ঘটনায় পৃথক মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ৫২ জন। এর মধ্যে ৩ জন আসামির অন্য মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় তাদেরকে মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ৩ আসামি হলেন জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নান ও শরীফ সাহেদুল আলম বিপুল। এখন ৪৯ আসামির বিচার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে এখনও ১৮ জন পলাতক। ৩১ জন কারাগারে। বাসস

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code