Main Menu

জানুয়ারিতে আসছে ই-পাসপোর্ট

Manual3 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) চালু করতে গত ১৯ জুলাই জার্মানির ভেরিডোস কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশের পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদফতর। সেদিন ঘোষণা দেয়া হয়েছিল ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে পৌঁছাবে ই-পাসপোর্ট। তবে ডিসেম্বরে ই-পাসপোর্ট পাওয়া অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

Manual2 Ad Code

ইমিগ্রেশন পাসপোর্ট অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল (ই-গেট) ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের জন্য ৪ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা ব্যয় হবে। তবে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় কিছুটা পেছাতে পারে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম।

এই অধিদফতরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিন খান বলেন, আমরা ডিসেম্বরে ই-পাসপোর্ট তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছি। তবে কাজটা শুরু করা সরকারের বাজেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। বাজেট পেতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। এটা একটি বড় ধরনের কাজ, চার হাজার কোটি টাকার কাজ। বর্তমান অর্থবছরের বাজেট জুনে হয়েছে। সরকার যেহেতু বাজেটে ই-পাসপোর্টের বরাদ্দ রাখে নাই, তাই এখন থোক বরাদ্দ হিসেবে আমাদের টাকা দিচ্ছে। পরবর্তীতে বাকি টাকা পাওয়া যাবে।

তিনি বলেন, ডিসেম্বরে যদি দিতে না পারি তাহলে আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যে দিতে পারবো বলে আশা করছি।

অধিদফতর সূত্র জানায়, শুরুতে ২০ লাখ ই-পাসপোর্ট জার্মানি থেকে প্রিন্ট করিয়ে সরবরাহ করা হবে। এরপর আরও ২ কোটি ৮০ লাখ পাসপোর্ট বাংলাদেশে প্রিন্ট করা হবে। সেজন্য উত্তরায় কারখানা স্থাপন করা হবে। পরবর্তী সময়ে ওই কারখানা থেকে ই–পাসপোর্ট ছাপানো অব্যাহত রাখা হবে।

অপরদিকে অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, হাতে মাত্র তিন মাস বাকি থাকলেও ই-পাসপোর্ট প্রদানের ফি, দেশের মানুষের কাছে ডেলিভারির সময়কাল ইত্যাদি এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান বলেন, এখনো কয়েকমাস আছে। ইনিশিয়াল মানিটা পেলে আমরা কাজ শুরু করতে পারবো। এ ছাড়া অন্যান্য কাজ চলছে। এখনো ডিসেম্বরে চালু করার বিষয়ে আমরা আশাবাদী।

Manual1 Ad Code

জানা গেছে, ই-পাসপোর্ট একটি বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট, যাতে একটি এমবেডেড ইলেকট্রনিক মাইক্রোপ্রসেসর চিপ থাকবে। এই মাইক্রোপ্রসেসর চিপে পাসপোর্টধারীর বায়োগ্রাফিক ও বায়োমেট্রিক (ছবি, আঙুলের ছাপ ও চোখের মণি) তথ্য সংরক্ষণ করা হবে, যাতে পাসপোর্টধারীর পরিচয়ের সত্যতা থাকে। ই-পাসপোর্ট চালু হলে জালিয়াতি ও পরিচয় গোপন করা কঠিন হবে বলে দাবি ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের।

Manual5 Ad Code

পাসপোর্ট অধিদফতর সূত্র জানায়, ই-পাসপোর্টে ৩৮ ধরনের নিরাপত্তা ফিচার থাকবে। বর্তমানে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) ডেটাবেইসে যেসব তথ্য আছে, তা ই-পাসপোর্টে স্থানান্তর করা হবে। ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে ১০ বছর।

সূত্র জানায়, ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের পুরো টাকাই বাংলাদেশ সরকার বহন করবে। বর্তমানের পাসপোর্টে সরকারের যে টাকা ব্যয় হয়, সেই অনুপাতে ই-পাসপোর্ট চালু হলে পাসপোর্ট প্রতি সরকারের প্রায় ৩ ডলার করে সাশ্রয় হবে। তবে যেহেতু এই পাসপোর্টের মেয়াদ ১০ বছর। তাই ফি বাড়িয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত আসতে পারে শিগগিরই।

Manual7 Ad Code

এদিকে অনেকেই শঙ্কায় আছেন, ই-পাসপোর্ট চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এমআরপি বাতিল হবে কি না। এ বিষয়ে অধিদফতর জানায়, কারও পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে তাকে এমআরপির বদলে ই-পাসপোর্ট নিতে হবে। তবে যাদের এমআরপি রয়েছে সেটিও গ্রহণযোগ্য হবে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code