Main Menu

জাফলংয়ে জুম মন্দির এলাকায় পাথর উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা জারি

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের সীমান্তবর্তী গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ের জুম মন্দির এলাকায় অবৈধ ভাবে গর্ত করে পাথর উত্তোলনের সময় মাটিচাপায় এক নারীসহ ৫ পাথর শ্রমিক নিহতের পর সেই এলাকায় পাথর উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে লাল পতাকা টানিয়ে দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। এর আগে গত বছরেও এই এলাকায় পাথর উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। তবে, তা অমান্য করেই পাথরখেকো চক্র সেখান থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছিল।
সিলেট জেলা পুলিশের গণমাধ্যমের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) ড. আ. ক. ম. আকতারুজ্জামান বসুনিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ‘জুম মন্দির এলাকায় পাথর উত্তোলনকালে মাটিচাপায় শ্রমিক নিহতের খবর পেয়ে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক সেখানে যায়। পরে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সহায়তায় এলাকাটি অত্যন্ত বিপজ্জনক বিবেচনায় জনস্বার্থে পাথর উত্তোলন সম্পূর্ন বন্ধ করে লাল পতাকা উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরো জানান, উত্তোলনকৃত পাথর পরিবহণের জন্য যাতে কোন যানবাহন জুম মন্দির এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য প্রবেশ মুখে মাটি দিয়ে বাঁধ দেয়া হয়। তাছাড়া বুধবার সকাল হতে উক্ত এলাকায় পুলিশ ফোর্স মোতায়েন রয়েছে এবং গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জকে বিষয়টি নিশ্চিত করার নিমিত্তে কঠোর নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, নিহত শ্রমিকদের ময়না তদন্তের পর বুধবার বিকেলে তাদের পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় মৃত জহুর আলীর মেয়ে জাকিরুন নেছা বাদি হয়ে গর্ত মালিক আব্দুস ছাত্তারকে প্রধান আসামী করে ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ গোয়াইনঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। (মামলা নং-০১, তারিখ-০৩-০১-২০১৮খ্রি:)।
মামলায় আব্দুস ছাত্তার (৩৫), আব্দুল খালিক (৬০), আলী (২৫) এবং আহাদ (৫০) নামের চার আসামীকে গত মঙ্গলবার সিলেট আদালতে আরেকটি হত্যা মামলায় হাজিরা দিতে আসলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন। এছাড়া এজাহার নামীয় আসামী শাহাব উদ্দিনকে (৩৫) গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতার করেছে। অন্য আসামীদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

Share





Related News

Comments are Closed