Main Menu

জয়পুরহাটে নতুন পিঁয়াজের আমদানী প্রচুর, দাম কমছে না

মোঃ অালী হাসান, জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি: জয়পুরহাটে দেশী পিঁয়াজ প্রতি কেজি ৮০-৮৫ টাকা ও আমদানীকৃত পিঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭৫-৮০ টাকা দরে। নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যের তালিকায় পিঁয়াজ অন্যতম। আমদানী যথেষ্ট থাকলেও মুল্য না কমায় সাধারন ক্রেতারা ক্ষুব্ধ।
জয়পুরহাট জেলা সদরে অবস্থিত নতুন হাট, পূর্ব-বাজার, সাহেব বাজার,বউ বাজার ঘুরে ও সাধারন ক্রেতার সংগে কথা বলে জানা যায়-জয়পুরহাট খুচরা বাজারে আজ-দেশী পিঁয়াজ প্রতি কেজি ৮০-৮৫ টাকা, ভারতীয় আমদানীকৃত পিঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭৫ টাকা দরে। নতুনহাট কাঁচামাল ব্যবসায়ী মাসুম জানান- শীতের শুরুতে বাজারে নতুন সবজ্বী ও নতুন পিঁয়াজের আমদানী হচ্ছে যথেষ্ট। আলু, পটল, বেগুন, মূলা সহ শীতকালীন সব সবজির মূল্য স্বাভাবিক থাকলেও এক অজানা কারনে দেশী পিঁয়াজ সহ আমদানীকৃত পিঁয়াজের মুল্য কমছে না কোনভাবেই।
এক প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় পিঁয়াজ আমদানীকারক ফিরোজ জানান-পিঁয়াজের আমদানী রয়েছে যথেষ্ট। ভারতে পিঁয়াজের দাম গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর বেশী হওয়ায় আমদানীকৃত পিঁয়াজের মূল্য স্বাভাবিকের চাইতে একটু বেশী। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান-ভারতে বর্তমানে পিঁয়াজ ৩০-৩৫ টাকা কেজি। আমদানী, ট্যাক্স ও পরিবহন খরচ সহ বাংলাদেশে মুল্য দাঁড়ায় ৪০-৪৫ টাকা। সে হিসাবে বর্তমান খুচরা বাজারে সর্ব্বোচ ৫০-৫৫ টাকা দরে পাওয়া যাওয়ার কথা। কিন্তু জয়পুরহাট খুচরা বাজারে বর্তমানে পিঁয়াজের মুল্যের যে উর্দ্ধোগতি তা কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর সিন্ডিকেটের কারনেই বলে মনে করেন তিনি।
এদিকে দেশী নতুন/পুরাতন পিঁয়াজের আমদানীও যথেষ্ট। তারপরও একমাত্র সিন্ডিকেটের কারনেই পিঁয়াজের মুল্য বেশী বলে মনে করেন-বউ বাজারে বাজার করতে আসা ডা: শহীদ হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার, পাঁচবিবি, জয়পুরহাট।
জয়পুরহাটে বাজার করতে আসা বেশ কিছু সচেতন ক্রেতার মতে বর্তমান পিঁয়াজ, চাল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যের মুল্য উর্দ্ধোগতির মুলে আছে কিছু সিন্ডিকেট, অসাধু ব্যবসায়ী, আমলা ও সরকার দলীয় কিছু নেতাকর্মী। একমাত্র সংশ্লিষ্ঠ সরকারী বাজার নিয়ন্ত্রন কমিটি দ্বারা সুষ্ট ও সৎ ভাবে পাইকারী/খুচরা বাজার নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে এসব অসাধু ব্যবসায়ী, সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত আমলা ও সরকার দলীয় নেতাকর্মী বা যেইহোক না কেন তাদের চিন্হিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির ব্যবস্থার মাধ্যমে বাজার মুল্য নিয়ন্ত্রন করতে পারে বলে মনে করেন জয়পুরহাট শহরের সচেতন নাগরিকবৃন্দ।

Share





Related News

Comments are Closed