Main Menu

বোরো ধান বীজের মূল্য বৃদ্ধিতে কৃষকরা দিশেহারা

মোঃ অালী হাসান, জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে আগাম বোরো ধান বীজ সংগ্রহের জন্য কৃষকরা ইতিমধ্যে বিভিন্ন দোকানে ভীড় জমাচ্ছে। কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে কতিপয় অসাধু অনুমোদন বিহীন বীজ ব্যবসায়ী বোরো ধানের বীজের মূল্য বৃদ্ধি করায় স্থানীয়ভাবে কৃষক পর্যায়ে সংরক্ষিত বীজ সংগ্রহের জন্য কৃষকরা ঝুঁকে পড়ছে।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, চলতি মৌসুমে আগাম বোরো বীজ তলা তৈরির জন্য কৃষকরা ইতিমধ্যে তাদের প্রয়োজনীয় ধান বীজ সংগ্রহ এবং বীজতলা তৈরীর প্রস্তুতি গ্রহন করছে। বাজারে বিভিন্ন কোম্পানীর ধান বীজ পাওয়া গেলেও অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির কারনে গ্রাম-গঞ্জে স্থানীয় ভাবে কৃষক পর্যায়ে সংরক্ষিত বীজ সংগ্রহে আগ্রহ বেড়ে চলছে। ফলে বোরো ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন হাট-বাজারে হাইব্রীড জাতের ইস্পাহানি আগমনি, দূর্বার, ইম্পাহানি-১ ও ২, বায়ারের তেজ, লালতীরের ময়না, টিয়া ও গোল্ড, ধান বীজ প্রতি কেজির মূল্য ৩০০ থেকে ৩৭০ টাকা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৫০ থেকে ১০০ টাকা এবং এসিআই-১ ও ২, সেবা, ফলন এবং ব্র্যাক এর আলোড়ন, জাগোরন, সাথী জাতের বীজ ধান ২৭০ থেকে ৩০০ টাকা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৫০ থেকে ১০০ টাকা অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে । এ ছাড়া ক্ষেতলালে স্থানীয় ভাবে বিভিন্ন কোম্পানীর উৎপাদিত দেশী জাতের জিরাশাইল, কাটারী, কাজল লতা, সুবল লতা সহ অন্যান্য জাতের ধান বীজ বেশী দরে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বিনাই গ্রামের কৃষক চানঁ মিয়া জানান, হাইব্রীড জাতের ধানের ফলন ও বাজার এর মূল্য বেশী হওয়ায় কৃষকরা হাইব্রীড ধান চাষে আগ্রহী হলেও বীজের মূল্য অনেক বেশী হওয়ায় বীজ কিনতে হিমশিম খাচ্ছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বীজ ব্যবসায়ীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর বীজ উৎপাদন প্রতিষ্ঠান প্রতি কেজি প্যাকেটের মূল্য ৫০ থেকে ১৫০ টাকা বেশী নির্ধারন করে বাজারজাত করছে। তবে কৃত্তিম সংকট নয়, বর্তমান বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় কিছু ব্যবসায়ী বেশী দামে বিক্রি করছে।
এ বিষয়ে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেবুন নাহার বলেন, বর্তমান বাজারে সরবরাহকৃত বিভিন্ন কোম্পানী ও প্রতিষ্ঠান বোরো ধান বীজ নির্ধারিত মূল্যের চাইতে অতিরিক্তি মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে। এমন অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষনিক ভাবে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ওই বিক্রেতাকে আইনের আওতায় নেয়া হবে।

Share





Related News

Comments are Closed