Main Menu

জয়পুরহাটে অামন ধানের উৎপাদন কম, বাজার দর বেশী

মোঃ অালী হাসান, জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটে এখন পুরোদমে শুরু হয়েছে ধান কাটা মাড়াই। বন্যা আর প্রাকৃতিক দুর্যোগে এবার আমন মৌসুমে ফলন কিছুটা কম হলেও ধানের বাজার দর বেশী। বর্তমানে জেলার বাজারে প্রকার ভেদে প্রতি মন ধান ৯’শ টাকা থেকে ১হাজার ২০টাকা। তবে এমন বেশী দরে ধান বিক্রি করেও ফলন কম হওয়ায় কৃষকরা হতাশ হয়ে পড়েছে। খাদ্যে উদ্বৃত্ত জেলা জয়পুরহাটে এখন পুরোদমে শুরু হয়েছে ধান কাটা মাড়াইয়ের পালা। বন্যা আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি পোকামাকড় ও রোগবালাইয়ের আক্রমনের কারনে এ মৌসুমে ধানের ফলন হয়েছে অনেকটাই কম।
জেলার সদর উপজেলার কাদোয়া গ্রামের চাষী আমানুল জানান, যেখানে অন্যান্য বছর প্রতি বিঘা জমিতে ধান হতো ১৮ থেকে ২২মন, সেখানে বর্তমান মৌসুমে আমন ধান হয়েছে বিঘা প্রতি ১০ থেকে ১৪মন। ফলন এমন কম হওয়ার কারন সম্পর্কে তিনি বলেন, এবার বন্যা আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি রোগ-বালাইয়ের আক্রমন ছিল অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশী। কাজেই ফলন হয়েছে অনেক কম। তবে ধানের বাজার দর বেশী। বর্তমান বাজারে প্রতি মন ধান প্রকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৯শ’ টাকা থেকে ১হাজার ২০টাকায়।
গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার ধানের বাজার মুল্য অনেকটাই বেশী হলেও ফলন কমের কারনে খুব একটা লাভ করতে পারছেন না বলে জানালেন একই এলাকায় চাষী শহিদুল ইসলাম। অন্যান্য বছর এ সময়ে প্রতিদিন যে পরিমান ধান কেনা-বেচা হতো, এ মৌসুমের সেই সময়ে ধানের বাজার মুল্য ভাল হলেও তার চার ভাগের এক ভাগ ধান কেনা-বেচা হচ্ছে বাজারে।
জেলার সদর উপজেলার হিচমী বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ জানান, এবার বিঘা প্রতি ধানের উৎপাদন কম হওয়ায় বেচা-কেনাও হচ্ছে কম। যেখানে অন্যান্য বছর এসময়ে প্রতিদিন দুই থেকে তিন ট্রাক ধান কেনাবেচা হতো তার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে সেখানে এ বছর তিন দিনেও এক ট্রাক ধান কেনা-বেচা করতে পারছেননা তিনি। ধানের ভরা মৌসুমে এমন বেচা-কেনা কমের কথা জানালেন র্মীরগাম চৌমুহনী ও পুরানাপৈল বাজারের ব্যাবসায়ীরা ও পাঁচবিবি উপজেলার শালাইপুর বাজারের ব্যাবসায়ীরাও।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সুধেন্দ্র নাথ রায় জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় রোপা আমন ধানের চাষ হয়েছে ৭০ হাজার ৯৭০ হেক্টর জমিতে। আর এ পরিমান জমি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ২ লাখ।

Share





Related News

Comments are Closed