Main Menu

শরণার্থী ক্যাম্পে হযরত শাহজালাল রহ: রোহিঙ্গা পল্লী গড়ে উঠেছে

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: কক্সবাজার জেলার কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পে ইমাম সমিতি সিলেট মহানগরীর প্রচেষ্টায় মধুছড়া এলাকায় হযরত শাহজালাল (র:) জামে মসজিদ ও লম্বাশিয়া এলাকায় হযরত শাহ পরাণ (র:) জামে মসজিদ নামে দু’টি মসজিদ স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে জুম্মা ও পাঞ্জেগানা নামাজ, দ্বীনি শিক্ষাসহ মসজিদ ভিত্তিক অন্যান্য কাজগুলো চলছে। হযরত শাহজালাল (র:) মসজিদকে কেন্দ্র করে একটি পল্লীও গড়ে উঠেছে, যে পল্লীতে ৩১০টি তাঁবু ইমাম সমিতির অর্থায়নে করা হয়েছে। প্রায় ২ হাজার মানুষের বাস এ পল্লীতে, এদেরকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পানিবাহীত রোগ জীবাণু থেকে রক্ষা করার জন্য ইমাম সমিতি ৫০টি স্যানেটারি টয়লেট স্থাপন করা হচ্ছে। নিরাপদ পানির জন্য ৪০টি নলকুপের কাজ চলছে। শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষা ও ইসলামি আদর্শ শিক্ষা দানের জন্য মসজিদ ভিত্তিক দুটি ও পৃথক আরো দুটি মক্তব স্থাপন করা হয়েছে। ৪টি মক্তবে প্রায় সাত শতাধিক ছেলেমেয়ে পড়া-লেখা করছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও সেনাবাহিনী সহ সরকারী-বেসরকারী সংস্থাগুলো ইমাম সমিতির এ কাজ করতে সার্বিক সহযোগিতা করেছে।
গত ১৪ অক্টোবর শনিবার ইমাম সমিতি মহানগর কার্যালয়ে নির্বাহী বৈঠকে সমিতির সভাপতি মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাব উপরোক্ত তথ্য পেশ করেন।
মাওলানা শিহাব আরো বলেন, ইমাম সমিতির আহবানে সিলেটের সর্বস্তরের মানুষ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহযোগিতা করতে হাত বাড়িয়েছেন, এ জন্য সিলেটবাসীকে ইমাম সমিতির পক্ষ থেকে মোবারকবাদ জানাচ্ছি।
১৫ দিনব্যাপী ২টি কাফেলার মাধ্যমে এ কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন উপস্থিত সদস্যবৃন্দ।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সিরাজুল ইসলামের পরিচালনায় প্রায় সবকটি ওয়ার্ডের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। অবশিষ্ট কাজ পরিচালনার জন্য আরোও ২টি কাফেলা কক্সবাজারে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তার আগে গত দু’দিনে ইমাম সমিতির কয়েকজন উপদেষ্টা বিশেষ করে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও সাবেক মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের সাথে ইমাম সমিতির নেতৃবৃন্দ স্বাক্ষাৎ করেন এবং ইমাম সমিতির ১৫দিন ব্যাপী কাজের বর্ণনা উপস্থাপন করা হয়। এ সময় বর্তমান ও সাবেক মেয়র ইমাম সমিতির কার্যক্রম শুনে ভূয়সি প্রশংসা করেন।

 

Share





Related News

Comments are Closed