Main Menu

বিশ্বনাথে ধর্ষণের অভিযোগে ইউপি সদস্য হিরন আটক

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় চাচাতো বোনকে ধর্ষণের অভিযোগে ইউপি সদস্য হিরন মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১২টায় আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বিশ্বনাথ থানার এসআই বিনয় ভূষন চক্রবর্তী। সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামন থেকে হিরন মিয়াকে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি। ইরন মিয়া উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য ও পূর্ব পাড়া নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত আস্তফা মিয়ার ছেলে।
অভিযোগে প্রকাশ, ২০০৯ সাল থেকে দৌলতপুরের পূর্বনোয়াগাঁও গ্রামের হিরন মিয়া তার চাচাতো বোন রিমা বেগম (ছদ্দনাম) এর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন। দীর্ঘ ৮ বছর ধরে চলছে তাদের প্রেমের সম্পর্ক। পাশাপাশি ঘরের বাসিন্দা হওয়ায় প্রায়ই গোপনে মেলামেশা করতেন তারা। ধীরে ধীরে অবৈধ শারীরীক সম্পর্ক গড়ে উঠে তাদের মধ্যে। অবশেষে গত ১৩ আগষ্ট হঠাৎ অন্ত:সত্ত¡া হয়ে পড়লে বিয়ের দাবি নিয়ে কথা বলেন প্রেমিক ইরন মিয়ার সঙ্গে। পরে ইরনের চাপে গর্ভপাত করে সে। কিন্তু ইরন মিয়া বারবার বিয়ের আশ্বাস দিলেও নানা অজুহাতে সময় পার করতে থাকেন। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ায় আত্মহত্যার চেষ্টা করেও ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান রিমা। মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিয়ের দাবীতে অনশন করেও ফল না পেয়ে ইরনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে ফের থানার দারস্থ হয় রিমা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইরন মেম্বারের বড়ভাই চন্দন মিয়া (৩৪) ও পাশের ঘরের রফিক মিয়ার ছেলে ফকরুল মিয়া (২৫) একে অপরের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে দু’জনই আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় চন্দন ও ফকরুলকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রিমার একটাই দাবি ‘আমি ইরনের স্ত্রীর মর্যাদা চাই’।

 

Share





Related News

Comments are Closed