মিনার পথে লাখো হজযাত্রী
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: মুসলিম বিশ্বের প্রায় ৫০ লাখ মানুষ ইতিমধ্যে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে ইহরাম বেঁধে যাচ্ছেন মিনায়। বুধবার দুপুরের মধ্যেই মক্কা থেকে সব হজযাত্রী মিনায় পৌঁছবেন। এরই মধ্যে মসজিদে মসজিদে চলছে বয়ান।
হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩দিন পর সবাই ফিরবেন মক্কায়। এরপর যাবেন মদীনায়। এদিকে, আর্থিক ও শারীরিক এ ইবাদতে হজযাত্রীদের ভোগান্তি যেন পিছু ছাড়ছেই না।
যাতায়াত, থাকা-খাওয়াসহ নানা বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় প্রতারণা ও ছলচাতুরির মাধ্যমে হজযাত্রীদের জিম্মি করে হাতিয়ে নিচ্ছে অনেক টাকা। বিপরীতে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সেবা।
হজযাত্রীদের জন্য সরকার প্রতিবছর প্যাকেজ নির্ধারণ করলেও অনেক হজ এজেন্সি এর তোয়াক্কা করে না। চলতি বছর সরকার কুরবানিসহ সর্বোচ্চ তিন লাখ ৬০ হাজার ও সর্বনিম্ন তিন লাখ ১৯ হাজার টাকার হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করে।
মক্কা, মিনা ও মদীনায় হজ পালনের জন্য ৪০/৪৫ দিনের এ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু অধিকাংশ হজ এজেন্সি এর বাইরে এ, বি ও সি প্যাকেজ তৈরি করে ইচ্ছেমত হজ প্যাকেজ সাজিয়েছে।
এরমধ্যে থাকা-খাওয়ার সুযোগ-সুবিধা বিবেচনায় তিন লাখ ৮০ হাজার থেকে দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়েছে।
অনেক ক্ষেত্রে এ হিসেবের বাইরে রয়েছে কুরবানীর খরচ। হজ এজেন্সিস এসোসিয়েশেন অব বাংলাদেশ (হাব) কর্তৃপক্ষ এজেন্সিগুলোর এমন ‘নয়-ছয়ের’ ব্যাপারে অবগত হলেও চুপ মেরে আছে।
ভুক্তভোগীরা এজেন্সির এসব প্যাকেজের নাম দিয়েছেন ‘ভোগান্তি’ হজ প্যাকেজ!
হজ এজেন্সির খপ্পরে পড়া মক্কায় থাকা ভূক্তভোগী বাংলাদেশি হজযাত্রীরা অভিযোগ করেছেন, এজেন্সিগুলোর প্রতারণা পদে পদে। তবে তা যেন দেখার কেউ নেই। হজ মিশন ও দূতাবাসের অভিযোগ করেও সুফল মিলছে না। অব্যবস্থাপনার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনেকেই।
কুরবানি ও টাকা জমা দেয়ার পদ্ধতি নিয়েও জটিলতা কাটছে না। মিনা, মুজদালিফা ও আরাফার ময়দানে যাওয়া-আসার বাহন নিয়েও ধুয়াশা কাটছে না।
বয়োবৃদ্ধ ও স্বল্প শিক্ষিতরা পড়েছেন চরম বিপাকে। রাস্তায় দেয়া খাবার ও পানি খেয়ে দিন কাটছে অনেকের। ভিসা পেয়েও মক্কায় আসতে না পারা ৩৬৭ জন হজযাত্রীর জন্য ১৮টি এজেন্সিকে দায়ী করেছে সরকার।
বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেল (জেদ্দার হজ কাউন্সিলর) মাকসুদুর রহমান বলেন, যেসব এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে, তা তদন্ত করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অনিয়ম করে কেউ ছাড় পাবে না। এছাড়া যেসব হজযাত্রী শেষ পর্যন্ত আসতে পারেনি, এর জন্য দায়ীদের অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনা হবে। তাদের লাইসেন্স পর্যন্ত বাতিল হতে পারে। এ ব্যাপারে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।
Related News
রবিউস সানি মাসের চাঁদ দেখা গেছে
ধর্ম ডেস্ক: ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রবিউস সানি মাসের চাঁদ দেখা গেছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর)Read More
তাবলিগ জামাতের উভয় পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান মাওলানা মছব্বিরের
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে তাবলীগ জামাতের উভয় পক্ষকে সমঝোতার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ হওয়ারRead More



Comments are Closed