গীতিকার পীর শাহ ইসকন্দর মিয়ার ইন্তেকাল
মোহাম্মদ নওয়াব আলী : গীতিকার পীর শাহ মোহাম্মদ ইসকন্দর মিয়া আজ সোমবার ভোর ৬টায় সিলেটের নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি—–রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
আজ বিকাল ৫টায় জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের তেরাউতিয়া মোকাম বাড়িতে তার জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক গোরস্তানে দাফন সম্পন্ন করা হবে।
বাউল কবি পীর শাহ মোহাম্মদ ইসকন্দর মিয়া গান লিখতেন প্রাণের টানে। শৈশব থেকেই গান লিখে আসছেন। প্রায় দুই সহস্রাধিক গানের জনক তিনি। তাঁর গান নিয়ে ইতিপূর্বে তেরো খণ্ডে ইসকন্দরগীতি প্রকাশিত হয়েছে। চতুর্দশ খণ্ডটি অপ্রকাশিত ছিল।
পীর শাহ মোহাম্মদ ইসকন্দর মিয়ার কঠোর সাধনা ও নিরন্তর ভাবের রাজ্যে ডুবে থাকার ফসল এই গানগুলো আমাদের জন্য অমূল্য সম্পদ। আমাদের লোকসঙ্গীতের ভাণ্ডার তাঁর গানে আরও সমৃদ্ধ হবে। কিন্তু তিনি তাঁর কর্মের কোনও স্বীকৃতি পাননি। বাংলাদেশ বেতার কিংবা বাংলাদেশ টেলিভিশনের গীতিকার হিশেবে অনুমোদন লাভ করতে পারেননি জীবনের শেষ মুহূর্তেও।
পীর মোহাম্মদ শাহ ইসকন্দর মিয়া সুনামগঞ্জ জেলার ঐতিহ্যবাহী জনপদ জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের অন্তর্গত তেরাউতিয়া মোকামবাড়িতে ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দের ১৫ জুন জন্মগ্রহণ করেন। পিতা শাহ মোহাম্মদ আবদুল হামিদ পীর ও মাতা সৈয়দা মিরজান বিবি। তিনি ৪ ছেলে ও ১ কন্যা সন্তানের জনক।
পীর মোহাম্মদ শাহ ইসকন্দর মিয়া নিজের গানের মাধ্যমেই বেঁচে থাকবেন চিরকাল চিরদিন। তার ভাষায়- প্রাণের কথা গানে লিখে দরবারে আরজ জানাই মৌলা ছাড়া ইসকন্দরের ফরিয়াদের জায়গা নাই।
Related News
বাউলসম্রাট দুর্বিন শাহ: মরমি গানের জগতে এক অনন্য সাধক
আনোয়ার হোসেন রনি, ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: বাংলা লোকসংগীত ও মরমি সাহিত্যের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নামRead More
বিশ্ববাংলার ২৩ বছরের প্রকাশনা কেমুসাস লাইব্রেরিতে প্রদান
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ (কেমুসাস) লাইব্রেরিতে মাসিক বিশ্ববাংলার গতRead More



Comments are Closed