Main Menu

বিশ্বনাথে বাঁশের সাঁকোই ভরসা ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের

Manual7 Ad Code

মো. আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ‘ফতেহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। ঝুঁকি নিয়ে বছরের অধিকাংশ সময় স্কুলে যাওয়া-আসা করে তারা। একমাত্র প্রবেশ পথের বেহাল দশার কারণে বেশির ভাগ সময়ই স্কুলের সামনে পানি জমে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত করলেও বিকল্প ব্যবস্থা নিচ্ছেনা কর্তৃপক্ষ। এ কারণে নানা দুর্ভোগ পোহাতে হয় তাদের। অনেক সময় সাঁকো থেকে পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনাও ঘটে। পানিতে পড়ে নষ্ট হয় বই-খাতা, পোষাক। সাঁতার না জানা শিক্ষার্থীদের নিয়ে দু:শ্চিন্তাগ্রস্থ থাকতে হয় অভিভাবকদের।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, দেওকলস ইউনিয়নের আমিরডিং নদীর তীরঘেষা স্থানীয় দক্ষিণ সৎপুর গ্রামে অবস্থিত ‘ফতেহপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়’র সামনের পুরো অংশ জুড়ে জমে আছে পানি। বিদ্যালয়ে প্রবেশের একমাত্র মাধ্যম বাঁশের সাঁকো। তার সাথে সংযুক্ত পরিত্যক্ত প্রায় কালভার্ট। বিদ্যালয় ছুটি হতেই ছাত্রছাত্রীরা কষ্ট এবং ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পাড়ি দিচ্ছে। এলাকার অনেকেই জানান, প্রায় দেড় হাজার মানুষের যাতায়াতের মাধ্যম এ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরেই উন্নয়ন বঞ্চিত। স্থানীয় রাজার বাজার থেকে পুরান সৎপুর পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কার অথবা পাকাকরণ হলে সব দুর্ভোগই লাঘব হত।
কথা হয় বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছাবির, রবিউল, হুসাইন, জাবেদ ও আকাশের সাথে। তারা জানায়, বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে ক্লাশে আসতে তাদের ভয় করে। অনেক সময় সাঁকো পেরুতে গিয়ে পা পিছলে পানিতেও পড়ে কেউ কেউ। বই-খাতাও ভিজে যায়। বিশেষ করে পরীক্ষার সময় বিদ্যালয়ে আসতে গিয়ে পানিতে পড়ে অনেকেরই কাপড়চোপড় নষ্ট হয়।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান জানান, আমার তিন শতাধিক শিক্ষার্থী ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন স্কুলে যাতায়াত করে। এ কারণেই অনেক সময় ব্যাহত হয় পাঠদান।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবদুল করিম লেবু জানান, ২০০৪ সালের বন্যার পরে ফতেহপুর বিদ্যালয় সড়কে মাটি ভরাট করা হয়নি। বিদ্যায়ের সামনে যে কালভার্ট আছে, সেটি পুন:সংস্কার এবং সাঁকোর স্থলে মাটি ভরাট করলে এ সমস্যা আর থাকবে না।
এ ব্যাপারে কথা হলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকতা মুহিউদ্দিন আহমদ বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code