সিলেট-৩ আসনে সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এখনও দেড় বছর বাকি থাকলেও সিলেট-৩ সংসদীয় আসনের রাজনীতিতে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। দল গোছানোর পাশাপাশি নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।
প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ছাড়াও পিছিয়ে নেই খেলাফত মজলিসসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীরাও। দলীয় কর্মসূচির পাশাপাশি সামাজিক, সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থানের কথা জানান দিচ্ছেন তারা। দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতিও।
জেলার দক্ষিণ সুরমা-ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের একাংশ নিয়ে গঠিত সিলেট-৩ সংসদীয় আসন। নগরীর পার্শ্ববর্তী হওয়ায় এই আসনের গুরুত্বও অনেক। এই আসনে নতুন মুখের ছড়াছড়িই বেশি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অন্তত আটজন নেতা মনোনয়ন পেতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন।
সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী মাঠে সরব রয়েছে। এর বাইরে আওয়ামী লীগের একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী মাঠে তৎপরতা চালাচ্ছেন। একই ভাবে বিএনপিতেও রয়েছেন একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী।
মাহমুদ উস সামাদ ছাড়াও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন- সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেটের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাংবাদিক শাহ মুজিবুর রহমান জকন।
একই ভাবে বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য শফি আহমদ চৌধুরী ছাড়াও যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আবদুস সালাম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদও রয়েছেন আলোচনায়।
এছাড়া জাতীয় পার্টি (এরশাদ) থেকে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য আতিকুর রহমান আতিক এ আসনে প্রার্থী হতে পারেন।
একই ভাবে ২০ দলীয় জোটের শরীক খেলাফত মজলিসও এ আসনটি পেতে কেন্দ্রীয় ভাবে তৎপরতা চালাচ্ছে। দলের প্রার্থী সংগঠনের সিলেট জেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা দিলওয়ার হোসাইন নির্বাচনী এলাকায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ওই নির্বাচনী এলাকায় বন্যার্ত লোকজনের মধ্যে মুহাম্মদ দিলওয়ার হোসাইন বিপুল ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে এলাকায় আলোচনায় রয়েছেন।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় দ্বিতীয় বারের মতো এ আসনে বিনা ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী।
এর আগে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি চার দলীয় জোটের প্রার্থী শফি আহমদ চৌধুরীকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে তিনি ৮৩ হজার ৯৮৪ ভোট পান। আর শফি আহমদ চৌধুরী পেয়েছিলেন ৪৭ হাজার ৭০ ভোট।
Related News
১১ দলীয় ঐক্যের দ্বিতীয় লংমার্চের তারিখ ঘোষণা, দাবিতে নতুন দফা যোগ
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের ছয় দফা দাবি এখন রূপান্তরিতRead More
জামিনে মুক্ত বিদিশা সিদ্দিক
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: প্রতারণার মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড পাওয়া সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রাক্তনRead More



Comments are Closed