Main Menu

ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র আঘাতে সেন্টমার্টিন-টেকনাফে ব্যাপক ক্ষতি

Manual6 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র আঘাতে সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে অনেক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মোরার প্রভাবে সমুদ্র ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার সকালে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার বেগে সেন্টমার্টিন ও টেকনাফের উপকূলে আঘাত হানে। এতে সেখানে কয়েক ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে অনেক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয় এবং কয়েকশ মাছ ধরার ট্রলার ভেসে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ভাঙ্গা বেড়ি বাঁধ দিয়ে পানি ঢুকছে বলেও জানা গেছে।

ঘূর্ণিঝড় মোরার কারণে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ও কক্সবাজারে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়।

Manual3 Ad Code

মাছ ধরার নৌকাগুলোকে নিরাপদ স্থানে অবস্থান নিতে বলা হয়েছে। এদিকে, সোমবার রাত থেকে এখন পর্যন্ত কক্সবাজারের ৫৫৮টি আশ্রয় কেন্দ্রে দেড় লাখের মতো মানুষ আশ্রয় নিয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

ঘূর্ণিঝড় মোরা উপকূলে আঘাত করায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। দুই শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছু গাছপালা উপড়ে গেছে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নূর আহম্মদ বলেন, ‘এ ইউনিয়নে দেড় শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। অনেক জায়গায় গাছপালা উপড়ে গেছে।

Manual3 Ad Code

‘আশপাশে যতদূর দেখেছি তাতে কমপক্ষে ৭০ ভাগ কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে আমার মনে হচ্ছে। অগণিত সংখ্যক গাছপালা ভেঙে গেছে। আমার নিজের সেমিপাকা বাড়িটিরও আংশিক ভেঙে গেছে।’

ভোর ৬টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি সেন্টমার্টিনে আঘাত হানে জানিয়ে তিনি সকাল ৮টায় বলেন, এখানে এখন প্রচণ্ড ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড় মোরার প্রভাবে সোমবার সকাল থেকেই সাগর উপকূল উত্তাল হতে শুরু করে। দুপুরে সমুদ্রে পানির প্রবাহ বেড়ে ঢেউয়ের তোড়ে ভাঙতে শুরু করে কক্সবাজার সৈকতের বালিয়ারি ও ঝাউবিধি। তলিয়ে যায় ‘ওয়াকওয়ে’। স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি জোয়ারের ফলে ইতিমধ্যে কক্সবাজারে নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বিকালে জোয়ারের সময় পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যাওয়ায় পানি বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়সহ বসতবাড়িতেও ঢুকে পড়ে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ কিলোমিটার ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে জোয়ারের প্লাবনে ৪০ গ্রামের কয়েকশ’ ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে।

Manual7 Ad Code

পাউবো সূত্র আরও জানায়, কক্সবাজারের টেকনাফ, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, পেকুয়া, চকরিয়া ও কক্সবাজার সদর উপজেলার পাউবোর ৫৯৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। এরই মধ্যে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপে আড়াই কিলোমিটার, মহেশখালীর ধলঘাটা ইউনিয়নে দেড় কিলোমিটার, মাতারবাড়ি ইউনিয়নে ১০০ মিটার ও কক্সবাজার সদর উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের গোমাতলীতে ৮০ মিটারসহ পাঁচ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ সম্পূর্ণভাবে ভেঙে গেছে।

Manual1 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code