Main Menu

জকিগঞ্জে ঝুুমা’র উপর হামলাকারী বাহার’র বিরুদ্ধে চার্জশিট

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের জকিগঞ্জের রসুলপুর গ্রামের ইছামতি ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থী ঝুমা আক্তারকে (১৮) কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় হামলাকারী বাহার উদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ। আলোচিত এই ঘটনার ১১৯ দিন পর অভিযোগপত্র দাখিল করা হলো।
রোববার জকিগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪১, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৬, ৩০৭, ৫০৬ ধারায় চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইমরুজ তারেক। এতে হামলাকারীর বড় ভাই নাসির উদ্দিনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়ার সুপারিশ করা হয়।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ২০০৯ সালে ঝুমা আক্তার ৬ষ্ট শ্রেণীতে থাকাকালে বাহার তাকে ২ মাস প্রাইভেট পড়ানোর সুবাদে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্ঠা করে ব্যর্থ হয়। পরে ২ বছর যাবৎ ঝুমাকে বাহার প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্যক্ত করত। ২০১৬ সালে ঝুমা আক্তার দাখিল পাশ করার পর থেকে বাহার ঝুমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে থাকে। ঝুুমা আক্তার বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় বাহার ঝুুমার মা করিমা বেগমের কাছে ঝুুমার বিয়ের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু ঝুমার মাও প্রস্তাব প্রত্যাখন করেন।
এরই জের ধরে ১৫ জানুয়ারী সকাল সাড়ে ১১টায় ঝুুমা ও তার মা, ছোট ভাই আরিফ আহমদকে ইছামতি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি করানোর জন্য রওয়ানা দিলে রসুলপুর গ্রামেই বাহার ঝুুমা ও তার মা করিমা-কে ছুরিকাঘাত করে আহত করে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঝুমা ও তার মাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হামলাকারী বখাটে বাহার রসুলপুর গ্রামের আব্দুল গফুর পচনের ছেলে।
ঘটনার পরদিন বাহারকে প্রধান আসামী জুমার মা বাদী হয়ে জকিগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরো তিনজনকে আসামী করা হয়েছিল। ঘটনার চারদিন পর কানাইঘাট উপজেলার মির্জারচক হাওর এলাকা থেকে হামলাকারী বাহারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওইদিন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী রেকর্ড করা হয়।

Share





Related News

Comments are Closed