বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়িতে ৪দিন অনশন, অতপর বিয়ে
ছনি চৌধুরী, নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়িতে গত ৪দিন ধরে অনশন করার পর বুধবার বিকাল ৪টার দিকে প্রেমিকা সেলিনা আক্তার শারমিনের সাথে প্রেমিক ময়নুল ইসলামের বিয়ে সম্পূর্ণ হয়েছে । এর আগে প্রেমিকাকে বিয়ের আশ্বাস দিলেও পরিবারের ভয়ে মেনে নিচ্ছিলেন না প্রেমিক ময়নুল ইসলাম, এনিয়ে এলাকা জুড়ে শুরু হয়েছিল তোলপাড়।
জানা গেছে নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কামারগাঁও পয়েন্টস্থ মঈনুল টেলিকম এন্ড ডিজিটাল স্টুডিওর স্বত্তাধীকারী ও কামারগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুল খালিকের পুত্র মঈনুল ইসলামের সাথে দীর্ঘদিন ধরে নুরগাঁও গ্রামের ক্ষুদে ব্যবসায়ী হুশিয়ার আলীর কন্যা সেলিনা আক্তার শারমিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় ২বছর ধরে চলে তাদের প্রেম ও প্রনয় এই দাবী শারমিনের।
গত মঙ্গলবার শারমিনের সাথে আলাপকালে এ প্রতিবেদককে জানায়, গত ২৩ এপ্রিল রোববার দুপুর ১টার দিকে প্রথমে মঈনুলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসে। সেখানে গিয়ে তাকে বিয়ের চাপ দিলে মঈনুল কোর্ট ম্যারেজের আশ্বাস দেয়। তবে এতে শারমিন অসস্মতি জানায়। এ নিয়ে প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে দীর্ঘক্ষণ বাক বিতন্ডা হওয়ার পর অবশেষে মঈনুল তার এক ভাগিনাকে দিয়ে শারমিনকে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। মঈনুল হয়তো ভাবছিল শারমিন তাদের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবী জানালেই তার অভিভাবকরা হয়তো মান সম্মানের ভয়ে শারমিনকে মেনে নিতে পারেন। কিন্তু ঘটনা ঘটেছে হিতে বিপরীত। উল্টো মঈনুলের অভিভাবকরা এ ঘটনায় যেন তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেন। পরিবারের এমন অবস্থা দেখে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় প্রেমিক মঈনুল। তবে অনশনের ৪র্থ দিনেও অনড় থাকে প্রেমিকা শারমিন। বাড়িতে পাঠিয়েই মঈনুল গা ঢাকা দিলেও মঈনুলের বাড়িতেই বিয়ের দাবীতে ৪র্থ দিনের মতো অনশন করে প্রেমিকা শারমিন। এসময় বিয়ের দাবী মেনে না নিলে প্রেমিকের বাড়িতেই আত্মহননের হুমকি দেয় সে। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মঈনুলের বাড়িতে উৎসুক জনতার ভীড় জমে । এ নিয়ে গত সোমবার রাতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ এওলা মিয়া সহ স্থানীয় ইউপি সদস্য সহ বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গের সমন্বয়ে মঈনুলের বাড়িতেই সামাজিক সালিশ বৈঠক বসিলে মঈনুল শারমিনের সাথে তার প্রেমের সর্ম্পককে অস্বীকার করে। এবং শারমিনকে বিয়ে করবেনা বলেও সোজা জানিয়ে দেয়! এতে বিচারকরা পড়েন বিপাকে। সামাজিক বিচারে কোন সমাধান না হওয়াতে মধ্য রাতে বিচারকরা যার যার পথে চলে যান। এনিয়ে শারমিনের অভিভাবকরা পড়েন চরম হতাশায়। চেয়ারম্যান আবু সাঈদ এওলা মিয়া ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এ বিষয়ে কোন সুরাহা করতে না পারায় শারমিনের অভিভাবক ও আত্মীয় স্বজনরা ছিলেন চরম দুঃচিন্তায়।
এ ব্যাপারে দীঘলবাক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ এওলা মিয়ার সাথে আলাপকালে তিনি অনশনের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, একাধীকবার এলাকার মুরুব্বিয়ানদের নিয়ে বিষয়টি সামাধানের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি। আজ এলাকার লোকজনের মুখে শুনেছি তাদে
Related News
বাড়ি থেকে বেরিয়ে দুদিন পর লাশ হয়ে ফিরলেন তুহিন
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে নিখোঁজের দুই দিন পর তুহিন মিয়া (২৩) নামে এক সিএনজিRead More
হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাRead More



Comments are Closed