Main Menu

হবিগঞ্জে হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুর অভিযোগ

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: হবিগঞ্জ শহরের চাঁদের হাসি হাসপাতাল লিমিটেডে ভুল চিকিৎসা ও চিকিৎসকের গাফিলতিতে জেলা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার ছেলে ব্যারিস্টার মো. জাকারিয়া রকি। তার অভিযোগ, চিকিৎসকের নিষেধ থাকা সত্ত্বেও হাসপাতালের একজন মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট তার বাবার শরীরে জোরপূর্বক ইনজেকশন পুশ করেন। এরপরই তার বাবার মৃত্যু হয়।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হবিগঞ্জ প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন জাকারিয়া রকি।

তিনি বলেন, গত ২৪ আগস্ট শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতায় তার বাবা হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে চাঁদের হাসি হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সোলাইমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বাবাকে চেম্বারে নিয়ে আসার পরামর্শ দেন।

জাকারিয়া রকির অভিযোগ, চাঁদের হাসি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার সময় ডা. সোলাইমান গাফিলতি করেন। একপর্যায়ে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী তার সহকারী আল আমিন তার বাবার শরীরে ইনজেকশন পুশ করেন। এ সময় ইনজেকশন দেওয়ার বিষয়ে নিষেধ থাকলেও তা মানা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই গোলাম মোস্তফা রফিক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুর অভিযোগ
খুলনায় ছুরিকাঘাতে যুবককে হত্যা
ঘটনার পর ডা. সোলাইমান শহর ছেড়ে চলে যান বলেও অভিযোগ করেন জাকারিয়া রকি। তার দাবি, মৃত্যুর ১১ দিন পর চিকিৎসকের পক্ষ থেকে তার বাবার মৃত্যু সনদ দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জাকারিয়া রকি বলেন, এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন তারা পেয়েছেন। ওই প্রতিবেদনে চাঁদের হাসি হাসপাতাল ও মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট আল আমিনকে অভিযুক্ত করা হলেও ডা. সোলাইমানের সম্পৃক্ততার বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই।

তিনি বলেন, ‘আমার বাবার মৃত্যুর জন্য ডা. সোলাইমানের গাফিলতিই দায়ী। অথচ তদন্ত প্রতিবেদনে তাকে অভিযুক্ত করা হয়নি। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’

এ ঘটনায় শিগগির আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান নিহতের ছেলে।

উল্লেখ্য, গত ২৪ আগস্ট চাঁদের হাসি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান হবিগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহ্বায়ক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক। তার মৃত্যুর পর ভুল চিকিৎসার অভিযোগ ওঠে। পরে ঘটনার তদন্তে সিভিল সার্জন রত্নদীপ বিশ্বাসকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

Share





Related News

Comments are Closed