Main Menu

আতিয়া মহলে ৫ম দিনেও অভিযান চলছে

Manual4 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের দক্ষিন সুরমার শিববাড়ির আতিয়া মহলে টানা পঞ্চম দিনের মতো মঙ্গলবারও অভিযান অব্যাহত রেখেছেন সেনাবাহিনীর প্যারা-কমান্ডোরা। তবে সকাল ১১টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন গোলাগুলির শব্দ শুনা যায়নি।
ঐ এলাকায় এখনও ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। বন্ধ রয়েছে যানচলাচল ও দোকানপাট। এলাকায় সবার প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকায় অভিযান সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য জানা যাচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল থেকে বাড়ির ভেতরে থাকা বিস্ফোরক উদ্ধারের কাজ চলছে।
সোমবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করে সেনাবাহিনী জানায়, তাদের অভিযানে এক নারীসহ চার জঙ্গি নিহত হয়েছে। জঙ্গি আস্তানায় আর কোনও জীবিত জঙ্গি নেই।
মঙ্গলবার সকালে শিববাড়ি এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে আলাপকরে জানা গেছে সোমবার দিবাগত রাত বা মঙ্গলবার সকালে আর কোন গুলি বা বিস্ফোণের শব্দ শোনা যায়নি।
আতিয়া মহলের পুরো ভবনটা যে অবস্থায় আছে সেটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে সোমবার প্রেস ব্রিফিংয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফখরুল আহসান বলেন, ‘সেজন্য সতর্কতার সঙ্গে এগোতে হচ্ছে। যে চারজন এখানে ছিল, তারা বেশ ভালো প্রশিক্ষিত। তাদের খুঁজে বের করে মারা হয়েছে। আমাদের অভিযান এখনও চলমান আছে। আরও হয়তো কিছু সময় লাগতে পারে। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশ অনুযায়ী আমরা এগিয়ে যাব।’
গত বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) মধ্যরাতে আতিয়া মহলের নিচতলায় জঙ্গিরা অবস্থান করছে বলে জানতে পারে ঢাকার কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।
পরদিন শুক্রবার (২৪ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে ওই বাড়ির ভেতর থেকে গ্রেনেড ছোড়া হয়। পরে ঢাকা থেকে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট সোয়াতকে পাঠানো হয় ঘটনাস্থলে।
তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সন্ধ্যা থেকে পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণে নেয় সেনাবাহিনীর প্যারা-কমান্ডো দল। পরদিন শনিবার দুপুরের মধ্যে তারা ওই ভবনের অন্যান্য বাসিন্দাকে নিরাপদে সরিয়ে আনে।
২৫ মার্চ সন্ধ্যায় অভিযান নিয়ে সেনবাহিনীর সংবাদ সম্মেলন চলাকালে দুই দফা বিস্ফোরণে দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ ছয় জন নিহত হন। আহত হয়েছেন র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধানসহ অন্তত ৪০ জন।
প্রসঙ্গত, জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পেয়ে শুক্রবার ভোর থেকে ‘আতিয়া মহল’ নামের পাঁচতলা ভবনটি ঘিরে রাখে আইনশৃংখলা বাহিনী। বাড়িটির প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে দেয়া হয়।
আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারণা, ওই বাড়ির নিচতলায় অবস্থান করছিল নব্য জেএমবির শীর্ষ নেতা মুসাসহ চার জঙ্গি।
পরে শনিবার সকাল থেকে অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো দল। ‘অপারেশন টোয়াইলাইট’ নামের এ অভিযান তত্ত্বাবধান করছেন সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আনোয়ারুল মোমেন।
সোমবার আতিয়া মহল সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণে নেয়ার মধ্য দিয়ে টানা চার দিনের জঙ্গিবিরোধী অভিযান ‘অপারেশন টোয়াইলাইট’ সমাপ্তির পথে এগুচ্ছে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code