Main Menu

চাঁদা না দেয়ায় লাশবাহি এ্যাম্বুলেন্স ভাংচুর

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: চাঁদা না দেয়ায় হাসপাতাল গেইটের ভেতর ডুকে লাশবাহি এ্যাম্বুলেন্স ভাংচুর ও চালককে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল গেইটে মঙ্গলবার রাতে এ্যাম্বুলেন্স ভাংচুর ও সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন পৌর শহরের হাসননগর সুলতানপুরের মৃত আসকর আলীর ছেলে শাহ আলম (৩৮)। গুরুতর আহত অবস্থায় রাতেই চালককে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হামলার শিকার চালক শাহ আলম জানান, পৌর শহরের হাসননগর সুনলতানপুরের আবেদ আলীর ছেলে নুরুল (২৫) মঙ্গলবার রাতে ৪/৫ সহযোগী নিয়ে সদর হাসপাতালের গেইটের ভেতর ডুকে প্রতি লাশের ট্রিপের জন্য শাহ আলমের নিকট ৫শ টাকা করে চাঁদা দাবি করে। এর আগের রাতে সদর হাসপাতাল থেকে সিলেটে এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগী নিয়ে যাওয়ায় ৫শ টাকা পরিশোধের চাঁপ দিলে শাহ আলম তা দিতে অস্বীকার করলে তার ব্যক্তিগত লাশবাহি এ্যাম্বলেন্স (সুনামগঞ্জ-চ-৭১-০০০৭) ভাংচুর করে। ভাংচুরে শাহ আলম বাঁধা দিতে এলে তাকে নুরুল ও তার সহযোগীরা বেধড়ক ভাবে পিটিয়ে নাক মুখ দিয়ে রক্ত বের করে ও সড়কে ফেলে উপর্যুপরী লাথিতে বুকে এবং হাতে জখম করে। পরে আশেপাশে থাকা অন্য চালক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা এসে শাহআলমকে দুর্বৃক্তদের কবল থেকে উদ্ধার করে দ্রত হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা হতদরিদ্র চালক শাহ আলম বুধবার বিকেলে জানান, আমি গরীব মানুষ কয়েকবছর অন্যত্র চাকুরি করে ও ধার দেনা করে এ্যালেন্সটি কিনে ছিলাম। এ আমার রুটি রুজির একমাত্র উৎস। সেটিও তারা ভ্ংচুর করল, এখন থানায় গিয়ে আইনি সহায়তা নিতে গেলে আমার ঘরবাড়ি ভাংচুর ও এলাকা ছাড়া করারও হুমকি দিচ্ছে নুরুল এবং তার সহযোগীরা।’
ভয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালে একাধিক কর্মচারি ও এ্যাম্বুলেন্স চালকরা বলেন, নুরুল বেপরোয়া, হাসপাতালের পাশেই তার বাড়ি, প্রায়ই লাশ কিংবা রোগী পরিবাহি চালকদের নিকট ১শ ৫০টাকা চাঁদা দাবি করে, মারধোর আর গাড়ি ভাংচুরের ভয়ে কেউ কেউ আমরা চাঁদা দিতে বাধ্য হচ্ছি।’
সদর মডেল থানার ওসি মো. হারুন অর রশীদ চৌধুরী বলেন, ওই চালক আইনি সহায়তা নিতে চাইলে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Share





Related News

Comments are Closed