Main Menu

নাফ নদীতে রোহিঙ্গাদের নৌকাডুবি : নিখোঁজ ৩১

Manual6 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : মিয়ানমারের রাখাইন থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আসার সময় সীমান্তের নাফ নদীতে রোহিঙ্গা বোঝাই নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে এক নারীকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাকি প্রায় ৩১ জন রোহিঙ্গা নিখোঁজ রয়েছেন।

Manual6 Ad Code

সোমবার ভোরে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুরা বরাবর নাফ নদীর মোহনাতে এ নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন জেলেরা।

উদ্ধারকৃত নারীর নাম রেহেনা আকতার (২৫)। তিনি ধ্বংসস্তুপ হয়ে যাওয়া মংডু থানার বড় গওজবিল এলাকার মৌলভী সলিমের স্ত্রী।

উদ্ধার হওয়া রেহেনা জানান, মিয়ানমার সেনা-পুলিশ-মগদের হাতে নির্যাতনের শিকার হয়ে মংডুর বিভিন্ন গ্রামে ৩০-৩২ জন নারী-পুরুষ ও শিশু বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে আসছিলাম। একটি নৌকা করে রাতের আধারে নাফ নদী পার হতে গিয়ে হঠাৎ নৌকাটি ডুবে যায়।

Manual8 Ad Code

বিপদাপন্নদের শোর-চিৎকারে জেলেরা ঘটনাস্থলে আসে। কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে তাদের নৌকায় তুলে নিলেও বাকিরা কে কোথায় গেছে কিছুই বলা যাচ্ছে না। নৌকায় তার মা, ভাবী এবং ভাইয়ের ২ শিশু সন্তান ছিল। প্রাণ বাঁচাতে এসে নদীতেই তারা নিখোঁজ হয়ে গেছে বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

Manual1 Ad Code

উদ্ধারে নেতৃত্ব দেয়া হ্নীলা নাটমুরা পাড়ার জেলেপল্লির বাসিন্দা আশিষ ও সুমন্ত্র দাশ জানান, নদীর মাঝ পথ থেকে হঠাৎ নারী-শিশুর কান্নার আওয়াজ পেয়ে সেদিকে যাই আমরা। রাতের আবছা আধারে তেমন কিছুই দেখতে পায়নি। সামনে একজনকে পেয়ে নৌকায় তুলে নিয়েছিলাম। বাকিদের অনেক চেষ্টা করেও উদ্ধার করতে পারিনি।

বিজিবির ভয় থাকায় বেশি খোঁজ করাও সম্ভব হয়নি। সকালে তারা নাফ নদীতে তিনটি মরদেহ ভাসতে দেখেছেন বলে জানিয়েছেন। তাদের ধারণা, ছোট নৌকাতে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করায় এ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, জাদীমুরা গ্রামে অবস্থানরত কতিপয় রোহিঙ্গা সিন্ডিকেট রাতের আঁধারে রোহিঙ্গা পারাপারের সঙ্গে জড়িত।

টেকনাফ থানার ওসি আবদুল মজিদ জানান, খবর পেয়ে হ্নীলা এলাকায় পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়েছে।

Manual1 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code