Main Menu

তাহিরপুরে এক নারীকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে প্রতিপক্ষের লোকজন এক নারীকে দা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে। এসময় ওই নারীর স্বামী, দেবর ও দুই শিশু সন্তানকেও বেধড়ক পিঠিয়ে আহত করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়নের চন্দ্রপুর গ্রামে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, উপজেলার চন্দ্রপুর গ্রামের মৃত আবদুল মজিদের ছেলে রব্বো আলম ওরফে আলম সরকার তারই নিকটাত্বীয় মৃত লাল মিয়ার ছেলে চাঁন মিয়ার নিকট কয়েক বছর পূর্বে অভাবের তাড়নায় দলিল মুলে মাত্র ১ শতক জায়গা বিক্রি করে। জায়গা বিক্রির পর ওই জায়গা থেকে জোর পূর্বক রব্বে আলম ও তার পরিবারের লোকজন একাধিক বার গাছপালা, মাটি কেঁটে নিয়ে যায়। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে শুক্রবার চাঁন মিয়ার স্ত্রী জায়েদা খাতুনকে রব্বে আলম, তার স্ত্রী নারী চৌকিদার সুবেলা খাতুন ও তাদের পরিবারের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে মাথা, চোখ ও মুখে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় স্ত্রীকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসলে চাঁন মিয়া, তার ৫ বছরের শিশু সন্তান লীজা আক্তার, ৭ বছরের পুত্র ইব্রাহিম ও সহোদর কলেজ শিক্ষার্থী মুরসালিনকে বেধরক ভাবে পিঠিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়।
এদিকে আশংকাজনক অবস্থায় জায়েদা খাতুন ও তার স্বামী চাঁন মিয়াকে বেলা ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে।
রব্বে আলম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করলেও জায়গা বিক্রির কথা স্বীকার করে বলেন, কিভাবে কি হয়েছে আমি কিছুই জানিনা, আমি আমার বসত ঘরের বারান্দায় বসা ছিলাম। চাঁন মিয়াই লোহার রড নিয়ে এসে আমার ওপর হামলা করতে চাইলে আমি দৌড়ে বাড়ি থেকে সড়কে চলে যাই।

Share





Related News

Comments are Closed