Main Menu

নবীগঞ্জে নদী থেকে তরুনীর লাশ উদ্ধার

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বরাক নদী থেকে এক তরুরনীর হাত-পা বাধা বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

তার নাম তন্নী রায় (১৮)। সে নবীগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের ছাত্রী ও নবীগঞ্জ পৌরসভার শিবপাশা আবাসিক এলাকার বিমল রায়ের মেয়ে।

নিখোঁজের ৩দিন পর বরাক নদীর নবীগঞ্জ শহরতলীর আক্রমপুর এলাকার গড়মুড়িয়া ব্রীজের নিকট থেকে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হাত-পা বাঁধা লাশ বস্তা বন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এনিয়ে রহস্যের জট খুলছেনা।

শোকের মাতম চলছে নিহত তন্নীর পরিবারসহ স্বজনদের মাঝে। শোকের ছায়া নেমে এসেছে সর্বত্র। তন্নী প্রেমের বলি কিনা তা নিয়ে রয়েছে গুঞ্জন। আলোচনায় বেরিয়ে এসেছে রানু নামে একজনের নাম। তাকে খুঁজছে পুলিশ।

এদিকে লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে পুলিশ সুপার জয়দেব কুমার ভদ্র নবীগঞ্জ ছুটে যান। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

তন্নী রায়ের পিতা বিমল রায়ের বাড়ী উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের পাঞ্জারাই গ্রামে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নবীগঞ্জ পৌরসভার শিবপাশা আবাসিক এলাকার ধান সিঁড়িতে স্ত্রী, এক ছেলে ও নিহত কলেজ পড়ূয়া কন্যা তন্মী কে নিয়ে বসবাস করছিলেন। তন্নী রায় (১৮) নবীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ থেকে গত এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে কৃতিত্বের সাথে পাশ করেছে। পরীক্ষার পর তন্নী নবীগঞ্জ শহরের আই.সি.টি কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে কম্পিউটার প্রশিক্ষণে ভর্তি হয়।

গত শনিবার বেলা দেড় টার দিকে তন্মী রায় আই.সি.টি কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়। নির্ধারিত সময় সে বাসায় ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজতে শুরু করেন। কিন্তু সম্ভাব্য সব স্থানে খুঁজাখুঁজির পরও তন্নীকে না পেয়ে ওই দিন রাতেই নবীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। নিখোঁজের পর থেকেই তন্নীর পিতা, মাতা, ভাইসহ আত্মীয় স্বজন চরম উৎকন্ঠা ও আতংকের মধ্যে ছিলেন। তাদের নাওয়া খাওয়া বন্ধ রয়েছে।

এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জের সবজি বিক্রেতা কানু রায়ের ছেলে রানু রায়ের সাথে তন্নীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ঘটনার পর থেকে রানু রায় নিরুদ্দেশ। এতে সন্দেহের তীর চলে যাচ্ছে রানুর দিকে। অনেকের ধারনা, ফুসলিয়ে হউক বা জোড় পূর্বই হোক তন্নী রায়কে ঘটনাস্থলের আশপাশে কোথাও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। এক পর্যায়ে হয়তো কোন কারন উপজাত হলে তন্নীতে হত্যা করে লাশ বস্তাবন্দি করে বরাক নদীতে ফেলে দেয়া হয়।

এদিকে পুলিশ সুপার জয়দেব কুমার ভদ্র ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে নিহত তন্নীর পিতা সহ আত্মীয় স্বজনকে শান্তনা দিয়ে বলেন, তন্নীকে হত্যার সাথে যে বা যারা জড়িত তাদের স্বল্প সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করা হবে। হত্যাকারী যত প্রভাবশালীই হোক কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবে না।

Share





Related News

Comments are Closed