বাবার লাশ নিয়ে বাড়ির পথে মধু রবিদাস
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বাবার লাশ নিয়ে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছেন মধু রবিদাস। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর রাত ১২ টা ৩৫ মিনিটের দিকে লাশবাহী এম্বুলেন্স (সিলেট-চ-৫৮-২৮১৩) বের হয়। এম্বুলেন্সে মাকুর বড় ছেলে মধুসহ আরো ৩জন যুবক ছিলেন।
এরআগে রাত ১২টার ১ মিনিটে ফাঁসিতে ঝুলানো হয় মাকু রবিদাসকে। ১২টা ১৬ মিনিটে কারাগারের ফটক দিয়ে প্রবেশ করে একটি সাদা এম্বুলেন্স। বের হয় ১২টা ৩৫ মিনিটে। রাত ১২টার আগেই কারাগারে এসে পৌঁছান মাকু রবিদাসের ছেলে মধু।
কারা ফটকে এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় মধু বলেন, আমরা তখন অনেক ছোট ছিলাম। মায়ের কাছ থেকে শুনেছি, এলাকার লোকজন রাতে বাবাকে ধরে পুলিশে দিয়েছে। এরপর বাবা ছাড়া পাননি। বাবাকে ছাড়া আমরা বড় হয়েছি। মাকু রবিদাসের এই বড় ছেলের বয়স আনুমানিক ২০ বছর হবে।
সিলেটের সিনিয়র জেল সুপার ছগির মিয়া বলেছেন, মাকু রবিদাস রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছিলেন। তা খারিজ হয়ে গেছে। তাই যথারীতি নিয়ম মেনে আমরা ফাঁসি কার্যকর করেছি। রাতে নিজেদের খরচে লাশ গ্রামের বাড়ি পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ৩১ অক্টোবর রাতে মাত্র ২ হাজার টাকার বিনিময়ে প্রতিবেশী নাইনকা রবিদাসকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে মাকু রবিদাস।
২০০৩ সালের ০৯ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত নাইনকা রবিদাস হত্যা মামলায় (দায়রা ৫৭/২০০২) মাকু রবিদাসকে মৃত্যুদন্ডদেশ দেন। পরবর্তীতে মাকু রবিদাস জেল আপিল (জেল পিটিশন নং-০৩/২০০৭) করলেও তার মৃত্যুদন্ডাদেশ বহাল রাখেন হাইকোর্ট। সর্বশেষ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন জানালে তাও নামঞ্জুর হয়।
গত ১২ মে কারা অধিদফতরের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফাঁসি কার্যকরের আদেশ দিলেও পবিত্র রমজান মাস থাকায় তা কার্যকর করা যায়নি।
Related News
বর্ণাঢ্য আয়োজনে এমসি কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটির এক দশকে পদার্পণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সত্যনিষ্ঠ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা সমাজ পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। ক্যাম্পাস সাংবাদিকতা শিক্ষার্থীদেরRead More
সিলেট বৌদ্ধ সমিতির অ্যাডহক কমিটি গঠন
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট বৌদ্ধ সমিতির এক সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিলেট বৌদ্ধ বিহার পরিচালনার জন্যRead More



Comments are Closed