Main Menu

সিলেটে চেক ডিজওনার মামলায় কয়লা ব্যবসায়ী কারাগারে


তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সিলেটে চেক ডিজওনার মামলায় এক কয়লা ব্যবসায়ীকে কারাগাওর পাঠিয়েছেন আদালত। মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘ দিন তিনি পলাতক ছিলেন। তারপরও শেষ রক্ষা হয়নি। কারাগারে যাওয়া ব্যবসায়ী বিজয় রায় সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার বিধু ভুষণ রায়ের ছেলে। তিনি সিলেটের আল হামরা শপিং সিটির দ্বীপ শাড়ী কালেকশন ও কয়লা আমদানিকারক এবং পরিবেশনকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স লাকী এম্পোরিয়ামের সত্বাধিকারী। বর্তমানে তিনি সিলেট নগরীর আম্বরখানা বড়বাজার ব্লু-আই টাওয়ারের ৫ম তলার বাসিন্দা।
জানা যায়, সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের বাগলী শুল্ক ষ্টেশনের কয়লা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স লোকনাথ ভান্ডারের সত্বাধিকারী বিজন কুমার দাসের নিকট থেকে মেসার্স লাকী এম্পোরিয়ামের সত্বাধিকারী বিজয় রায় বিভিন্ন সময়ে ভারত থেকে আমদানিকৃত কয়লা ক্রয় করেন এবং বকেয়া পাওনা বাবত বিজন কুমার দাসের অনুকুলে ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। বিজন কুমার দাস চেকটি নগদায়নের জন্য সিলেট নগরীর আম্বরখানার উত্তরা ব্যাংক শাখায় একাধিবার জমা দিলেও অপর্যাপ্ত তহবিলের কারনে চেকটি ডিজওনার হয়।
এক পর্যায়ে বকেয়া পাওনা আদায়ের জন্য বিজন কুমার দাস সুনামগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল আদালতে বিজয় রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ১২ মে ৯৬/১৫ নং চেক ডিজওনার মামলা দায়ের করেন। নথি নং সি/আর ১০৮ সদর (১৪)।
বারবার আদালতে তলব সত্বেও হাজির না হওয়ায় ২০১৬ সালের ১ মার্চ সুনামগঞ্জ যুগ্ম দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক এনআই এ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় বিজয় রায়কে দোষী সাবাস্থ্য করে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও মামলার বাদী বিজন কুমার দাসকে তার প্রাপ্য ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা পরিশোধের রায় প্রদান করেন। এরপর আদালত থেকে বিজয় রায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করা হয়।
এদিকে দীর্ঘ দিন পালিয়ে থাকার পর গত ২৭ জুন সিলেট নগরীর আল হামরা শপিং সিটি থেকে বিজয় রায়কে গ্রেফতার করে। পরদিন চেক ডিজওনার মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে পুলিশ সিলেটের দায়রা জজ প্রথম আদালতে সাজাপ্রাপ্ত আসামী বিজয় রায়কে হাজির করলে আদালত তাকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করেন।

Share





Related News

Comments are Closed