বিশ্বনাথ থানা পুলিশ সাজাপ্রাপ্ত আসামী ধরে না!
বিশ্বনাথ সংবাদদাতা: সিলেটের বিশ্বনাথ থানার অভ্যন্তরে একজন ম্যাজিষ্ট্রেট ও থানার ওসিকে লাঞ্চনা, সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও ভাংচুর মামলার আড়াই বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের গ্রেফতার করছে না পুলিশ। ফলে আসামীরা বেপরোয়া হয়ে নানা অপকর্ম করছে। পুলিশের এহেন ভূমিকা নিয়েও জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায় ২০১৪ সালের ২৬ জানুয়ারি বিশ্বনাথ থানায় বিভিন্ন মামলায় জব্দকৃত গাড়ী প্রকাশ্যে নিলামের উদ্যোগ নেয় পুুলিশ। তখন কতিপয় সন্ত্রাসী নিলাম ছাড়া মাইক্রোবাস, সিএনজি অটোরিকসা ও মটর সাইকেল তাদের দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। ওসি রকিবুল ইসলাম তাদের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওসি ও থানায় উপস্থিত ম্যাজিষ্ট্রেট হাবিবুর রহমানকে লাঞ্চনা, ওসির কক্ষ ভাংচুর, সরকারী কাজে বাধা প্রদান করে থানা অভ্যন্তরে ত্রাসের সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় এস আই টিপু সুলতান বাদী হয়ে (থানার মামলা নং-১৫ তাং-২৭/০১/২০১৪ ইং) জি আর নং-১৫/১৪ ইং দায়ের করেন। মামলায় আসামী করা হয় খাজাঞ্চী ইউনিয়নের তেলীকোণা গ্রামের নুরুল হোসেনের পুত্র মুহিবুর রহমান সুইট, বিশ্বনাথ ইউনিয়নের জানাইয়া গ্রামের আইয়ুব আলীর পুত্র আব্দুল আজিজ সুমন, মৃত-তজমূল আলীর পুত্র তোফায়েল আহমদ কামাল, মুফতীর গাঁও বেজ বাড়ীর ইসাক আলী মিস্ত্রীর পুত্র বদরুল আলম।
আসামীরা মামলা দায়েরের পর থেকে আদালতে হাজিরা দেয়নি। ২০১৫ সালের ২৪ মে সিলেটের ২য় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট নাজমূল হোসাইন চৌধুরীর আদালত দণ্ড বিধির ৩৫৩/৪২৭/৩৪ ধারা মতে এজাহার নামীয় উপরোক্ত চার আসামীকে আড়াই বছর করে সাজা প্রদান করেন এবং যথাসময়ে সাজা পরোয়ানা থানায় প্রেরণ করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা পুলিশের সাথে নিয়মিত থানায় উঠ-বস করলেও তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না। আসামীদের গ্রেফতারের জন্য সিলেটের ডিআইজি বরাবরে আবেদন করলেও কোন ফল হচ্ছে না।
Related News
কোম্পানীগঞ্জে ৮৬ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধ-পণ্য জব্দ, আটক ২
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য ও বিভিন্নRead More
কানাইঘাটে চোরাইপণ্যবাহী পিকআপের ধাক্কায় কিশোরের মৃত্যু
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার লক্ষ্মীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী সুনারতনপুঞ্জি গ্রামে পিকআপের চাকায় পিষ্টRead More



Comments are Closed