সুনামগঞ্জে মহিলার কান ছিড়ে অলংকার ছিনতাই
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের ৭নং ওর্য়াডের বালিকান্দি পাচকিরী গ্রামে মহিলার কান ছিড়ে কানফুল ছিনিয়ে নিয়েছে ডাকাত দল। গত ১২ জুন রবিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে পাচকিরী গ্রামের মছদ্দর আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, গ্রামের কৃষক মোঃ মছদ্দর আলীর বড় ছেলের বউ তাছলিমা বেগম বসতঘরের নির্ধারিত কক্ষে ঘুমন্ত ছিলেন। তার পাশের ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন শ্বশুর শাশুরী। এসময় ডাকাত দল ঘুমন্ত শ্বশুড় শাশুড়ির ঘরের বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে ডাকাতির উদ্দেশ্যে তাসলিমা বেগমের বসতঘরে প্রবেশ করে ডাকাতির চেষ্টা করে। তাছলিমার স্বামী বিদেশে অবস্থান করছেন এবং টাকা পয়সা ও স্বর্ণালংকার ইত্যাদি তাসলিমার ঘরে আছে মনে করে ডাকাত দল ঐ ঘরটিতেই ডাকাতির চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে অন্ধকার ঘরে ডাকাত দলের তল্লাসীর শব্দে গৃহবধূর ঘুম ভেঙ্গে যায় এবং তিনি চিৎকার শুরু করেন। অন্যদিকে শ্বশুড় শাশুড়ির ঘরটি বাহির দিক থেকে দরজা তালাবদ্ধ থাকায় পুত্রবধূর চিৎকারে তারাও চিৎকার শুরু করেন। তখন ডাকাত দলের একজন তাসলিমা বেগমের কান ছিড়ে কানফুল নিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার ব্যাপারে তাছলিমা বেগম বলেন, আমি আমার রুমে একা ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে আমি কানের মধ্যে আঘাত পেয়ে চিৎকার করে উঠলাম এবং অন্ধকারের মধ্যে একজন লোক আমার কান ছিড়ে অলংকার নিয়ে দৌড় দিয়ে পালিয়ে গেলো। আমি লোকটিকে ভাল করে চিনতে পারিনি।
মছদ্দর আলী বলেন আমি ঘুমে ছিলাম, হঠাৎ চিৎকার শুনে ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার দরজা বাইরে থেকে আটকানো। পরে পাড়ার লোকজন এসে আমার দরজা খুলে দেন এবং সেখানে গিয়ে দেখি আমার ছেলের বউয়ের এক কান ছিড়ে ডাকাতরা অলংকার নিয়ে গেছে। তাছলিমার মা নাজিয়া বেগম বলেন, বর্তমানে কাউকে আমরা সন্দেহ করতে পারছিনা। তবে এটা অবশ্যই স্থানীয় কোন ডাকাত দলের কাজ।
প্রতিবেশী আলী আজগর বলেন আমরা চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে পৌছে দেখি এই মহিলার কান ছিড়া, অলংকার নেই ।
Related News
টাঙ্গুয়ার হাওরে বেড়াতে এসে পর্যটকের মৃত্যু
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের টাঙ্গুয়ার হাওরে বেড়াতে এসে ট্যাকেরঘাট এলাকায় হার্ট অ্যাটাক করে আশিষRead More
৫ বছরেও শেষ হয়নি সুনামগঞ্জে সোমেশ্বরী সেতুর কাজ
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বাসিন্দাদের স্বপ্নের সেতু এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। উপজেলার চারটিRead More



Comments are Closed