একটি আমের ওজনই চার কেজি!
নিউজ ডেস্ক: মাগুরার শালিখায় এক ব্যবসায়ীর গাছে ধরেছে চার কেজি ওজনের আম। উপজেলার শতখালী গ্রামের আতিয়ার রহমান তার এক প্রতিবেশীর মাধ্যমে পাঁচ বছর আগে ব্রুনাই থেকে আম গাছটির কলম সংগ্রহ করেছিলেন।
ছোট্ট আম গাছটির উচ্চতা বড়জোর নয় ফুট। সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ঝুলছে লম্বাটে সবুজ আম। অপরিপক্ব এই আমের একেকটির ওজন আড়াই থেকে তিন কেজি পর্যন্ত। শ্রাবণ মাসের মাঝামাঝি যখন পাকা শুরু হবে, তখন প্রতিটির ওজন হবে চার কেজির মতো।
মাগুরার শালিখা উপজেলার শতখালী গ্রামের আতিয়ার রহমান মোল্লার নার্সারিতে আছে গাছটি। এ বছর আম ধরেছে ১৫টি। এখনো আকারে পূর্ণতা পায়নি। তবে এখনই একেকটি আমের ওজন হয়েছে আড়াই থেকে তিন কেজি। সবচেয়ে বড় আমটি মেপে দেখা গেল লম্বায় ১২ ইঞ্চি এবং ব্যাস ১৬ ইঞ্চি।
বিশাল আকারের এই আম দেখতে এবং গাছের চারা সংগ্রহ করতে প্রতিদিনই মানুষ ভিড় করছেন আল আমিন নার্সারি অ্যান্ড মোল্লা হর্টিকালচার সেন্টারে। নতুন জাতের এই আমের নাম রাখা হয়েছে ‘মোল্লা-১ ইয়াসমিন’।
নার্সারির মালিক আতিয়ার রহমান মোল্লা বললেন, ব্রুনাইয়ের রাজপরিবারের বাগান পরিচর্যার কাজ করতেন তার প্রতিবেশী ইউসুফ আলী। সেখানকার গাছে তিনি ওই আম দেখেন। ছয় বছর আগে বাড়ি আসার সময় ইউসুফ আলী আমগাছের চারটি ‘শাইওন’ (গাছের মাথার কচি ডাল বা ডগা) নিয়ে আসেন। সেটি দিয়ে তিনি বাড়িতে দেশি জাতের আমগাছে কলম করেন। দুই বছর পর ওই কলমের গাছে দেড় কেজি ওজনের একটি আম ধরে। ইউসুফের বাড়িতে গিয়ে আতিয়ার রহমান নতুন জাতের ওই আম গাছে ঝুলতে দেখেন।
পরে আতিয়ার আমগাছটির একটি ডাল এনে নিজের নার্সারিতে দেশি জাতের আমগাছে কলম দেন। দুই বছর পর সেই গাছে দুই কেজি ওজনের দুটি আম ধরে। পরের বছর অর্থাৎ ২০১৫ সালে ওই গাছে আটটি আম আসে। শ্রাবণ মাসের প্রথম সপ্তাহে তিনি আমের আকার দেখে অবাক হন। দেখেন, সবচেয়ে বড় আমটির ওজন চার কেজি এবং ছোটগুলো দুই কেজি করে।
স্থানীয় কৃষি মেলায় তিনি ওই আম প্রদর্শন করে সবাইকে চমকে দেন। পরে ওই আমের চারাটি কৃষি বিভাগের মাধ্যমে কৃষি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।
Related News
পরিত্যক্ত জমিতে লাউ চাষে সাফল্য, বিষমুক্ত সবজিতে হাসি ফুটেছে কৃষক ফারুকের মুখে
আনোয়ার হোসেন রনি, ছাতক সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের ছাতকে বাড়ির সামনে দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত জমিতে উচ্চফলনশীল লাউRead More
নড়াইলের পাট চাষিরা দাম নিয়ে দুঃচিন্তায়
নড়াইল সংবাদদাতা: নড়াইলের গ্রামীণ জনপদে পাট কাটা,পচানো এবং ধোঁয়ায় ব্যস্ত সময় পার করছেন পাট চাষিরা।অনেকেRead More



Comments are Closed