Main Menu

জিডিএফ’র আধুনিক ভবন নির্মাণ বিষয়ে সিসিক বরাবরে স্মারকলিপি

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: গ্রীণ ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন (জিডিএফ) পরিচালিত জিডিএফ-ডিকেএফ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের দীর্ঘমেয়াদী স্থায়ী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও আধুনিক ভবন নির্মাণ বিষয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর বরাবরে এক স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

৭ অক্টোবর বুধবার দুপুরে জিডিএফ’র উপদেষ্টা, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী এর নেতৃত্বে জিডিএফ নেতৃবৃন্দ সিসিক প্রশাসকের হাতে এই স্মারকলিপি পেশ করেন।

স্মারকলিপি পেশকালে উপস্থিত ছিলেন গ্রীণ ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন (জিডিএফ)’ উপদেষ্টা ডাঃ মোঃ মিফতাহুল হোসেন সুইট, মহাসচিব ও নির্বাহী পরিচালক মোঃ বায়জিদ খান, নির্বাহী সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক, সমন্বয়কারী শারমিন আক্তার রেবা, হিসাব রক্ষক মোঃ শাহজাহান প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, মানবকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান গ্রীণ ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন (জিডিএফ) দীর্ঘদিন ধরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মানুষের শিক্ষাও জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নানা সীমাবদ্ধতা ও প্রতিকূলতার মধ্যেও প্রতিষ্ঠানটি তার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারে অবস্থিত জিডিএফ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা, নিরাপত্তা, আত্মমর্যাদা, দক্ষতা ও সাবলম্বী ভবিষৎ গড়ে তোলার একটি নির্ভরতার স্থান। দীর্ঘদিন ধরে সেবা, ত্যাগ ও মানবিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি সিলেটের সামাজিক ও মানবকল্যাণমূলক স্থানে একটি গৌরবময় অবস্থান তৈরি করেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো যে, সিলেটের জেলা প্রশাসনের বরাদ্দকৃত বাড়িটি অনেক পুরাতন একটি ভবন, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও ভূমিকম্পের কারণে এর বিভিন্ন অংশের দেয়ালে ফাটল ধরেছে, নিচের ফ্লোর ধেবে গেছে, উপরের টিনের চাল নষ্ট হয়ে গেছে। ঘরের বিভিন্ন অংশে বৃষ্টির পানি পড়ে, রান্নাঘর একেবারে ব্যবহারের অনুপযোগী। জরাজীর্ণ এই ভবনটিতে কোনমতে আমরা শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। ইতিমধ্যে আপনিও সরজমিনে এসে জিডিএফ প্রতিষ্ঠানের হালচিত্র দেখে গেছেন।

এসময় আপনি আশ্বাস দিয়েছিলেন, এই পুরাতন ভবনটি মেরামত এবং পানির সমস্যা সমাধানে একটি ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন করে দিবেন। পানির সমস্যা সমাধানে সিসিক কর্তৃপক্ষ ডিপটিউবওয়েলের কাজ শুরু করেছে। এজন্য জিডিএফ কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত আছেন, সর্বমহলের এখন একটাই দাবি জিডিএফ প্রতিষ্ঠানকে স্থায়ীকরণের মাধ্যমে নতুন ভবন নির্মাণ করা।

এজন্য সর্বপ্রথম স্থায়ী জায়গার প্রয়োজন। জায়গা স্থায়ীকরণের ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার তথা জেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি প্রয়োজন।

ইতিবাচক একটি দিক হলো সরকারি ব্যবস্থাপনায় আমরা যদি এই প্রতিষ্ঠানের নামে স্থায়ীভাবে জায়গার ব্যবস্থা করতে সক্ষম হই, তবে নতুন ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে আমরা বাধাপ্রাপ্ত হবো না। কারণ ইতিমধ্যে দেশি-বিদেশি দাতা-সংস্থা আমাদেরকে ভবন নির্মাণে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেছে। এছাড়াও সমাজের বিশিষ্ট দানশীল ব্যক্তিবর্গও জিডিএফকে এই মর্মে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

আপনি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী নগরের অভিভাবক, সরকার দলীয় বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এবং সরকারের একজন প্রতিনিধি, তাই জায়গা স্থায়ীকরণের ক্ষেত্রে যত ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন, আমরা প্রত্যাশা করি আপনি আমাদের জন্য সবধরনের সহযোগিতা করবেন।

আপনার সহযোগিতায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় পুণ্যভূমি সিলেটের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মানুষের শিক্ষার জন্য সুনামধন্য এমন একটি প্রতিষ্ঠান সগৌরবে মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে থাকুক, সিলেট বিভাগের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মানুষগুলো যেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাবে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয় সেই বিষয়টি বিবেচনা করে গ্রীণ ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন (জিডিএফ) পরিচালিত জিডিএফ-ডিকেএফ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের জায়গা স্থায়ীকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে আপনি এবং আপনার সরকারের কাছে আমরা বিনীত ভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। বিজ্ঞপ্তি

Share





Related News

Comments are Closed