Main Menu

এবার সিলেটে কোরবানির পশুর সংকট নেই, বাড়তি রয়েছে ১০ হাজার

Manual7 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটে এ বছর কোরবানির পশুর সংকট নেই। গত বছরের তুলনায় এবার কোরবানি যোগ্য পশু বাড়তি রয়েছে অন্তত ১০ হাজার।

সিলেট বিভাগের চার জেলায় ২ লাখ ৮২ হাজার কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় এক লাখ ৪২ হাজার, মৌলভীবাজারে ৭৪ হাজার, হবিগঞ্জে ৫০ হাজার এবং সুনামগঞ্জে ৫২ হাজার।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ড. আবু জাফর মো. ফেরদৌস এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বিভাগের প্রতি উপজেলা ও ইউনিয়নভিত্তিক দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে আনুমানিক এই পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিভাগে প্রায় ১২ হাজার খামারি রয়েছেন।

তন্মধ্যে ৬ হাজার সিলেট জেলায়। তারা গরু মোটাতাজাকরণের মাধ্যমে বাজারে এনে বিক্রি করেন। অনেকে অনলাইনেও পশু বিক্রি করে থাকেন।

Manual7 Ad Code

ভারতীয় চোরাই গরুর কারণে স্থানীয় খামারিরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোরবানিকে সামনে রেখে ভারতীয় চোরাই পশু আসা বন্ধে আমরা গত এক মাস উচ্চকণ্ঠে কথা বলেছি, কীভাবে বর্ডার নিয়ন্ত্রণ করা যায়। খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপের বিষয়ে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীও বলেছেন ভারতীয় পশু যেন দেশে না ঢুকতে পারে।

Manual6 Ad Code

এরপরও প্রতিনিয়ত সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে চোরাই পথে গরু ঢোকানো বন্ধ হয়নি। এতে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন স্থানীয় খামারিরা। সিলেটের অনেক খামারিও এমন অভিযোগ করেছেন।

খামারিরা বলেন, বাজারে পশুখাদ্যের দাম কয়েকগুণ বেড়েছে। শ্রমিক খরচও বেশি। গরু মোটাতাজাকরণে বেশি খরচ পড়ছে। কিন্তু ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ভারতীয় গরু বানের মতো দেশে ঢুকছে। এসব গরু বাজারে ওঠায় স্থানীয় গরুর দরপতন হয়েছে।

সূত্র জানায়, সীমান্ত দিয়ে পশু চোরাচালানে চোরাকারবারিদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় সদস্যেরও যোগসাজশ রয়েছে। যে কারণে অনায়াসে সীমান্ত পেরিয়ে আসা পশুর চালান ঢুকছে নগরের বাজারগুলোতে। তাছাড়া ভারতীয় চোরাই পশুবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণে নগরের তিনটি প্রবেশদ্বারে সিসি ক্যামেরা ও চৌকি বসিয়ে পুলিশ তল্লাশি চালালেও চোরাই পশুবাহী ট্রাক ছেড়ে দিতে দেখা যায়।

Manual6 Ad Code

এদিকে এ বছর সিলেট জেলায় কোরবানির জন্য পশুর চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৯৩৮টি। বিপরীতে প্রস্তুত আছে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৫টি। বিক্রির পরও ৩ হাজার ৯৬৬টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।

Manual7 Ad Code

সংশ্লিষ্টরা জানান, এ বছর সিলেট জেলায় ৬০টি এবং সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সাতটিসহ মোট ৬৭টি হাট বসেছে। হাটের পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও পশু কেনাবেচা চলছে। তাছাড়া পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রোগ প্রতিরোধ এবং গর্ভবতী গাভী শনাক্তকরণে হাটে বিশেষ ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম কাজ করছে।

এদিকে ঈদের সময় ঘনিয়ে এলেও এখনো জমে উঠেনি প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেটের কোরবানির পশুর হাট। নগরীর একমাত্র স্থায়ী পশুর হাটে পশুর পাশাপাশি লোক সমাগম ঘটলেও হাটে নেই ক্রেতা। তবে শেষ মুহূর্তে বেচাকেনা জমার আশায় বসে আছেন পাইকাররা।

নগরীর কাজিরবাজারের গরু বিক্রেতা আব্দুল গফুর বলেন, এই হাটে স্থানীয় প্রায় ৫০ জন এবং বাইরের দেড় শতাধিক পাইকার গরু নিয়ে এসেছেন। এবার গরুর দাম তুলনামুলক কম থাকায় বিক্রেতাদের মাঝে আগ্রহ কিছুটা কম পরিলক্ষিত হচ্ছে। অথচ পশু খাদ্যের দাম ও পরিচর্যা মূল্য তুলনামূলক বেড়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code