Main Menu

জগন্নাথপুরে সাড়ে ৩ কোটি টাকার প্রতারণার মামলায় ২ ভাই কারাগারে

Manual6 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের বহুল আলোচিত সাড়ে ৩ কোটি টাকা প্রতারণার মামলায় আদালত দুই ভাই ইয়াকুব ও ইসমাইলকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) অভিযুক্তরা আদালতে হাজিরা দিতে গেলে বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরআগে বুধবার সিআইডি আদালতে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করে।

কারাগারে পাঠানো ইয়াকুব ও ইসমাইল জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর গোয়ালগাও গ্রামের মৃত আরজু মিয়ার ছেলে।

মামলাটি পর্যালোচনা করে সুনামগঞ্জের দায়রা জজ আদালত তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ত্রুটি চিহ্নিত করেছেন।

আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, মামলার অন্যতম আসামি হাফিজ কামরুল ইসলাম ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে প্রতারণার অর্থের বিষয়ে ইয়াকুব ও ইসমাইলের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করেছিলেন। অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদের চার্জশিটে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত না করায় আদালত বিষয়টিকে তদন্তের বড় ঘাটতি হিসেবে গণ্য করেছেন।

Manual3 Ad Code

প্রতারণার দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারার পাশাপাশি ১০৯ ধারা যুক্ত করার বিষয়টি তদন্তকারী কর্মকর্তা আমলে নেননি। আত্মসাৎ করা সাড়ে ৩ কোটি টাকার কোনো অংশ উদ্ধার করা হয়নি। এছাড়া প্রতারণার টাকায় কেনা জমির দলিল আলামত হিসেবে জব্দ না করাকেও তদন্তের ব্যর্থতা হিসেবে দেখা হয়েছে।

Manual4 Ad Code

মামলার বাদী মাওলানা ইমরান আহমদের অভিযোগ, অলৌকিকভাবে বিপুল অর্থ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে তাঁর কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। শুরুতে পিবিআই তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করলেও বাদী তাতে নারাজি আবেদন করেন। পরবর্তীতে সেই আবেদন খারিজ হলে তিনি সুনামগঞ্জের দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারি রিভিশন মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-৮৮/২০২০)।

Manual3 Ad Code

এই রিভিশন মামলার রায়ে ২০২১ সালের ২৫ অক্টোবর অতিরিক্ত দায়রা জজ ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার নিম্ন আদালতের পূর্বের আদেশ বাতিল করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডির কাছে ন্যস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত মামলাটির অধিকতর তদন্ত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন।

Manual5 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code