তেল সংকটে সাদা-কালো মোড়কে জাপানি চিপস
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা ও কাঁচামালের সংকট মোকাবিলায় এক অভিনব ও সৃজনশীল পথ বেছে নিয়েছে জাপানের শীর্ষ স্ন্যাকস প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘ক্যালবি’। প্রতিষ্ঠানটি ঘোষণা করেছে, কাঁচামাল সাশ্রয় করতে তারা তাদের পটেটো চিপসসহ জনপ্রিয় বিভিন্ন পণ্যের চিরচেনা রঙিন মোড়ক বদলে সাময়িকভাবে ‘সাদা-কালো’ মোড়ক ব্যবহার করবে।
টোকিও-ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি মঙ্গলবার (১২ মে) এক বিবৃতিতে জানায়, তাদের জনপ্রিয় ১৪টি পণ্যের প্যাকেজিংয়ে এখন থেকে মাত্র দুটি রঙের কালি ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে তাদের বিশ্বখ্যাত পটেটো চিপস, ‘কাপা এবিসেন’ স্ন্যাকস এবং ‘ফ্রুগ্রা’ ব্রেকফাস্টি সিরিয়াল। আগামী ২৫ মে থেকে জাপানের বাজারে নতুন এই ‘সাদা-কালো’ মোড়কের পণ্যগুলো দেখা যাবে।
ক্যালবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। মুদ্রণ কার্যে ব্যবহৃত কালির অন্যতম প্রধান উপাদান হলো ‘ন্যাপথা’, যা পেট্রোলিয়াম থেকে উপজাত হিসেবে পাওয়া যায়। জাপান তার মোট চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশ ন্যাপথা মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে থাকে। যুদ্ধের ফলে এই আমদানিতে বিঘ্ন ঘটায় রঙিন কালির সংকটে পড়েছে কোম্পানিটি। মূলত সরবরাহ চেইন সচল রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৭৭ বছরের পুরোনো এই কোম্পানির এমন সিদ্ধান্ত জাপানে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এর আগে গত মার্চে জাপানের অন্য একটি চিপস কোম্পানি জ্বালানি তেলের অভাবে উৎপাদন বন্ধ রাখায় দেশজুড়ে এক ধরনের ভীতি ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে জাপানি সরকারের পক্ষ থেকে জনগণকে আশ্বস্ত করা হয়েছে। সরকারের ডেপুটি চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি কেই সাতো বলেন, আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত ন্যাপথা বা কালির সরবরাহে বড় কোনো সংকটের তথ্য নেই। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং প্রয়োজনে মজুত করা অপরিশোধিত তেল ব্যবহার করা হচ্ছে।
Related News
রাষ্ট্রীয় ব্যয় ও জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ইন্দোনেশিয়ায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
Manual2 Ad Code আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ায় রাষ্ট্রীয় ব্যয় এবং জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজধানী জাকার্তায়Read More
সৌদিতে থাকতে হলে মানতে হবে নতুন নিয়ম
Manual6 Ad Code আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবে বসবাসরত প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি (অনূর্ধ্ব বা স্থায়ী বিশেষ আবাসনRead More



Comments are Closed