Main Menu

প্রত্মসংগ্রাহক ও গবেষক হাবিবুল্লাহ পাঠান আর নেই

Manual8 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: প্রত্ম সংগ্রাহক ও গবেষক মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ পাঠান (৮৭) আর নেই। শনিবার (২১ মার্চ) বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে নরসিংদীর বেলাব উপজেলার আমলাব ইউনিয়নের বটেশ্বর গ্রামের নিজ বাড়িতে তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)। ক্যানসার ও বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন তিনি।

Manual2 Ad Code

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে ও পাঁচ নাতি-নাতনীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

Manual3 Ad Code

তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মুহাম্মদ হাবিবুল্লা পাঠান দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের ক্যানসারে ভুগছিলেন। এ ছাড়াও বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন তিনি। গত দেড় মাস আগে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে। তাঁর ফুসফুসের ক্যানসারের চতুর্থ পর্যায় চলছিল। তাকে মুখে খাবার বা ওষুধ খাওয়ানো যাচ্ছিল না। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সম্প্রতি চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে বাড়িতে আনা হয়। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় তাঁর মৃত্যু হয়।

১৯৩৯ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নরসিংদীর বেলাব উপজেলার বটেশ্বর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মুহাম্মদ হাবিবুল্লা পাঠান। তাঁর পিতার নাম হানিফ পাঠান ও মাতা মেহেরুন্নেসা। হানিফ পাঠান ছিলেন একজন লোকসাহিত্য সংগ্রাহক ও গবেষক। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রবাদ সংগ্রহকারী হানিফ পাঠানই প্রথম প্রত্নস্থান উয়ারী-বটেশ্বরকে জনসমক্ষে তুলে ধরেন। পিতার হাত ধরে হাবিবুল্লাহ প্রত্নসংগ্রহ এবং গবেষণায় আগ্রহী হয়ে উঠেন। ১৯৫৫ সালে অষ্টম শ্রেণীতে পড়াবস্থায় তিনি পিতার সাথে উয়ারী-বটেশ্বর প্রত্নস্থলের গবেষণায় সাহায্য করা শুরু করেন। তাদের প্রচেষ্টায় এ অঞ্চলে প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ করা হয় এবং এরই প্রেক্ষিতে ২০০০ সালে উয়ারী-বটেশ্বর খননেন কাজ শুরু হয়।

Manual7 Ad Code

মুহাম্মদ হাবিবুল্লা পাঠান লিখেছেন ১৬টি বই। ২০০৯ সালে মুহাম্মদ হাবিবুল্লা পাঠান বাংলা একাডেমির ফেলো নির্বাচিত হন এবং ২০২০ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।

Manual8 Ad Code

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code