Main Menu

প্রেমিকের টানে বাড়ি ছেড়ে ধর্ষণের শিকার কিশোরী, গ্রেফতার ৩

Manual7 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে বাড়ি থেকে পালিয়ে সুনামগঞ্জে আসে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরী। কিন্তু সেই যাত্রা তার জন্য হয়ে ওঠে বিভীষিকাময়। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কয়েকদিন নিজের কাছে রাখার পর এক পর্যায়ে তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্তসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Manual7 Ad Code

গ্রেফতারকৃতরা হলেন—সুনামগঞ্জ শহরের বাঁধনপাড়া এলাকার সোহেল মিয়া (৩০), গনিপুর এলাকার মো. এরশাদ মিয়া (৩৪) এবং সিএনজি চালক মাসুম মিয়া (২৫)।

Manual3 Ad Code

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিন-চার মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার এক কিশোরীর সঙ্গে সুনামগঞ্জের ভৈরব দাসের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হলে কিশোরী বাড়ি থেকে পালিয়ে সুনামগঞ্জে চলে আসে। তবে ধর্মীয় ভিন্নতার কারণে ভৈরব ওই সম্পর্ক রাখতে অস্বীকৃতি জানান।

এ অবস্থায় ভৈরবের বন্ধু সোহেল মিয়ার ওপর কিশোরীকে বুঝিয়ে বাড়ি পাঠানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, বিবাহিত ও তিন সন্তানের জনক সোহেল কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের অভিনয় শুরু করেন এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে প্রায় ১৫-১৬ দিন নিজের বাড়িতে রেখে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

Manual6 Ad Code

গত রোববার (১ মার্চ) সোহেলের মায়ের সঙ্গে কিশোরীর ঝগড়া হলে সোহেল তাকে বন্ধু এরশাদের জিম্মায় রেখে সিলেটে চলে যান। পরে কিশোরী বাড়ি ফিরতে চাইলে এরশাদ ও আরেক সিএনজি চালক মাসুম তাকে বিশ্বনাথ পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সিএনজিতে তোলেন।

Manual8 Ad Code

অভিযোগ অনুযায়ী, পথে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ এলাকায় নির্জন স্থানে নিয়ে সিএনজির ভেতরে কিশোরীকে ধর্ষণ করেন এরশাদ। এ সময় মাসুম পাহারাদারের ভূমিকা পালন করেন।

ধর্ষণের শিকার কিশোরী নিজেই বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. জহির হোসেন জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিশেষ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনায় ব্যবহৃত সিএনজিটি জব্দ করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

সুনামগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাতক চাকমা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বর্তমানে কিশোরীটি জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের শিশু সুরক্ষা বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code