Main Menu

‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণায় নামছে পাঁচ ছাত্র সংসদ, শুরু সিলেট থেকে

Manual4 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সম্মিলিত প্রচারণায় নামছে দেশের নির্বাচিত পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের প্রতিনিধিরা। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সিলেটে বিভাগীয় গণজমায়েতের মধ্য দিয়ে এই প্রচারণা শুরু হবে।

Manual5 Ad Code

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করার লক্ষ্যে পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ একত্রিত হয়ে ‘ঐক্যবদ্ধ ছাত্র সংসদ’ ব্যানারে দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এই উদ্যোগে অংশ নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)।

ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রথম বিভাগীয় গণজমায়েত অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় সিলেট নগরীর বন্দরবাজার কোর্ট পয়েন্ট এলাকায়। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরেও একই ধরনের গণজমায়েত আয়োজন করা হবে বলে জানান তিনি।

Manual1 Ad Code

সাদিক কায়েম বলেন, এই কর্মসূচিতে ছাত্র প্রতিনিধিদের পাশাপাশি জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত যোদ্ধা, ধর্মীয় নেতা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, শিক্ষক, চিকিৎসক, শ্রমিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।

তিনি দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

Manual8 Ad Code

গণভোট প্রসঙ্গে সাদিক কায়েম বলেন, ‘গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে স্বাধীনতা, আর ‘না’ মানে গোলামি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে স্থায়ী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে গণভোটই সবচেয়ে কার্যকর ও গণতান্ত্রিক মাধ্যম।’

তিনি আরও বলেন, বড় রাজনৈতিক দল ও তাদের নেতৃত্ব গণভোট নিয়ে প্রত্যাশিত ভূমিকা পালন করছে না। কিছু রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা দীর্ঘ বক্তৃতা দিলেও গণভোট কিংবা রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তন বিষয়ে জনগণ স্পষ্ট কোনো বার্তা পাচ্ছে না।

Manual3 Ad Code

তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যেখানে কেউ বারবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারবে না, বিচার বিভাগকে কুক্ষিগত করার সুযোগ থাকবে না এবং ক্ষমতার একচ্ছত্র অধিকার দিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসনের পথ বন্ধ থাকবে।”

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) জিএস মাজহারুল ইসলাম বলেন, ২৪ জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় দীর্ঘদিনের অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও স্বেচ্ছাচারী রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা করা।

তিনি বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনা এসেছে, যা পুরোনো ফ্যাসিবাদী কাঠামো ভেঙে দিয়ে ইনসাফ ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে নতুন রাষ্ট্র কাঠামো গঠনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তবে কিছু রাজনৈতিক দল এসব প্রস্তাবনায় ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছে, ফলে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতানৈক্য তৈরি হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করার মাধ্যমে পুরোনো ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র কাঠামো বিলোপ করা এবং ভবিষ্যতে কেউ যেন ফ্যাসিবাদী বা স্বৈরাচারী আচরণ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাকসু জিএস এসএম ফরহাদ, এজিএস মহিউদ্দিন খান, চাকসু জিএস সাইদ বিন হাবিব, জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, রাকসু জিএস সালমান সাব্বিরসহ পাঁচ ছাত্র সংসদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code