Main Menu

সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কারাগারে

Manual3 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. নঈমুল হক চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুনশী আব্দুল মজিদ এ আদেশ দেন।

Manual5 Ad Code

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর শফিউল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুদকের মামলায় দুপুরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে নঈমুল হক চৌধুরী জামিন আবেদন করেন। তবে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

নঈমুল হক চৌধুরী সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনালগ্নে পরিচালক (অর্থ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি দুদকের দায়ের করা মামলার চার্জশিটভুক্ত ২ নম্বর আসামি। মামলার প্রধান আসামি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) ডা. মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী এখনো পলাতক রয়েছেন।

Manual2 Ad Code

এর আগে গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) একই দুর্নীতির মামলায় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও আটজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করা আরও ছয়জন কর্মকর্তার জামিন নামঞ্জুর করে আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।

দুদকের মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইউজিসি ২০২৩ সালে তদন্ত পরিচালনা করে। তদন্তে তৎকালীন উপাচার্য ডা. মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. নঈমুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়।

Manual1 Ad Code

এরপর দুদকের সিলেট সমন্বিত জেলা কার্যালয় নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল তৎকালীন উপাচার্য, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারসহ মোট ৫৮ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। একই বছরের ২৫ এপ্রিল আদালত ৫৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

Manual3 Ad Code

দুদক সূত্রে আরও জানা গেছে, ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করে এবং সিন্ডিকেট ও ইউজিসির অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন পদে বিধিবহির্ভূতভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এছাড়া ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ২২০ জনকে ছয় মাসের জন্য সম্পূর্ণ অস্থায়ী (অ্যাডহক) ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়ে বারবার মেয়াদ বাড়ানো হয়। নির্ধারিত সময় শেষে চাকরি নিয়মিত না করে দুই থেকে পাঁচবার পর্যন্ত অ্যাডহক নিয়োগের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code