Main Menu

লাইভে নখ উপড়ে, আঙুল কেটে তিন তরুণীকে খুন! 

Manual6 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আর্জেন্টিনায় তিন তরুণীকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে একটি মাদকচক্র। হত্যার ভয়ংকর দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। মাদক পাচারকারী দলের হাতে তিন তরুণীর খুনের ঘটনায় বিচার চেয়ে হাজার হাজার মানুষ দেশটির বুয়েনস এইরেসের পথে নেমেছে।

Manual4 Ad Code

পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পরে বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বুয়েনস আইরেসে একটি বাড়ির উঠোন খুঁড়ে বছর ২০-র মরেনা ভার্দি, ব্রেন্ডা ডেল ক্যাস্টিলো ও ১৫ বছর বয়সী লারা গুতিয়ারেজের মরদেহ উদ্ধার হয়।

জানা যায়, লোভ দেখিয়ে রেভ পার্টিতে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তিন তরুণীকে। তারপর থেকে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন তিনজন। পরে একটি বাড়ির উঠানে তিনজনের দেহ উদ্ধার করা হয়। তিনজনকে নির্যাতন ও হত্যার ঘটনাটি ইনস্টাগ্রামে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছিল বলেও দাবি।

Manual5 Ad Code

আর্জেন্টিনাজুড়ে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। বিচার চেয়ে শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাস্তায় নামেন সাধারণ মানুষ। নিহতদের ছবি নিয়ে পার্লামেন্টের দিকে মিছিল করে যান আন্দোলনকারীরা। তারা বলেন,  তাদের কথায়, এই ঘটনা ‘নার্কো-ফেমিসাইড’। আর্জেন্টিনার মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, আঙুল কেটে, নখ উপড়ে, বেধড়ক মারধর করা হয় তিন তরুণীকে। মার খেতে খেতে তারা কার্যত সংজ্ঞাহীন, সেই সময়ে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয় বলে অভিযোগ।

নিহতদের পরিবারের লোকেরা জানান, খুনের আগে এমন পাশবিক অত্যাচার করা হয়, মরদেহগুলি ভালো করে শনাক্ত পর্যন্ত করা যায়নি। এই ঘটনায় এখনও অবধি পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিন জন পুরুষ, দুজন নারী। একজন সন্দেহভাজনকে মৃতদেহ বহন করার জন্য গাড়ি দেওয়ার অভিযোগে আটক করা হয়েছে। এই হত্যার নেপথ্যে মূল চক্রীকে শনাক্ত করেছে আর্জেন্টিনা পুলিশ। ২৭ বছর বয়সী অভিযুক্ত পেরুর বাসিন্দা এবং দলটির নেতা।

জানা গেছে, তিন তরুণী কোনওভাবে ওই চক্রের পূর্বপরিচিত ছিলেন। ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে তিন তরুণী পার্টিতে যাচ্ছিলেন। একটি গাড়িতে ওঠেন তারা। পরে জানতে পারেন, তারা ফাঁদে পড়েছেন। এর পরেই মর্মান্তিক পরিণতি হয় তিন জনের।

Manual3 Ad Code

ইনস্টাগ্রামের মূল সংস্থা মেটা অবশ্য তাদের প্ল্যাটফর্মে লাইভস্ট্রিম হওয়ার বিষয়টি মেনে নেয়নি। সমাজমাধ্যমটির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইনস্টাগ্রামে লাইভস্ট্রিম হওয়ার কোনো প্রমাণ তারা পাননি। এই ভয়াবহ অপরাধের তদন্তে মেটা ও ইনস্টাগ্রাম আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির সঙ্গে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবে বলে এএফপিকে জানিয়েছেন তিনি।

Manual1 Ad Code

এদিকে ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা এএফপিকে জানিয়েছে, তাদের তদন্তে এমন কোনো লাইভস্ট্রিমের প্রমাণ মেলেনি। তবে তারা পুলিশকে সহায়তা করছে।

নিহত ব্রেন্ডা ও মোরেনার এক কাজিন ফেদেরিকো সেলেবন জানান, জীবিকার তাগিদে তারা মাঝে মাঝে যৌনকর্মে জড়িত ছিলেন—যা পরিবার জানত না। তবে লারার খালা দেল ভায়ে গালভান এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাদের এলাকায় দারিদ্র্য আছে, কিন্তু লারাকে নিয়ে এসব কথা মিথ্যা। আমরা ন্যায়বিচার চাই। সত্য গোপন করা হোক চাই না। হত্যাকারীদের যেন শাস্তি হয়। আমরা ভীত নই।

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code