Main Menu

সিলেট-চারখাই-শেওলা ৪ লেন মহাসড়ক নির্ধারিত সময়ে সম্পন্নের দাবি

Manual6 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেটের নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপিতে সিলেট-চারখাই-শেওলা মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করার দাবি জানানো হয়।

Manual8 Ad Code

বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জেলা প্রশাসকের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়।

এসময় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবরেও আরেকটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

জেলা প্রশাসক নেতৃবৃন্দকে আশ্বাস দেন, প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হবে।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেটের সভাপতি ডা. এম ফয়েজ আহমদ, সহসভাপতি এডভোকেট এমাদ উল্লাহ শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোবায়ের আহমদ খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল আহাদ, অর্থ সম্পাদক কবির আহমদ সিদ্দিকী, শিক্ষা ও পাঠাগার সম্পাদক আজমল হোসেন চৌধুরী ওয়েস, দপ্তর সম্পাদক মো. রাজ্জাকুজ্জামান চৌধুরী, সদস্য ইসমত ইবনে ইসহান সানজিদ, শহিদুল হাসান, মাহবুব আহমদ মুক্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ময়নুল ইসলাম ও আবুল ফজল মো. আরিফ প্রমুখ।

Manual5 Ad Code

স্মারকলিপিতে বলা হয়- প্রায় পৌনে তিন লাখ মানুষের জনপদ বিয়ানীবাজারে স্থলপথই প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। রেলপথ না থাকায় এবং নৌপথ ব্যবহারের সুযোগ সীমিত হওয়ায় সিলেট-চারখাই-শেওলা সড়কটি বিয়ানীবাজারসহ আশপাশের উপজেলার মানুষের জন্য একমাত্র ভরসা।

২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদিত এই প্রকল্পের আওতায় সিলেট থেকে সুতারকান্দি পর্যন্ত ৪৩ কিলোমিটার মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে প্রায় ৪ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়, যার মধ্যে বিশ্বব্যাংক ২ হাজার ৮৮৬ কোটি টাকার ঋণ দিচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় থাকবে অতিরিক্ত ২টি সার্ভিস লেন, ৩টি সেতু, ৩১টি কালভার্ট, ১টি ফ্লাইওভার, ৪টি ফুটওভারব্রিজ, ৬টি ওভারপাস, ২টি আন্ডারপাস, ৭টি ফুটপাত এবং একটি টোলপ্লাজা। বিশেষভাবে কুশিয়ারা নদীর উপর নতুন সেতু নির্মাণের নকশাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়- প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর। কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্ব, অজানা কারণে বাস্তবায়নে ধীরগতি এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অথচ সিলেট-চারখাই-শেওলা সড়ক দেশের অন্যতম ব্যস্ত সীমান্ত সড়ক; প্রতিদিন গড়ে দুই শতাধিক ট্রাক চলাচল করে।

Manual1 Ad Code

এই পরিস্থিতিতে জনকল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা দূর করার আহ্বান জানান।

তারা বিশেষ করে পূর্ববর্তী জেলা প্রশাসকের দেওয়া ৮ মে ২০২৫ তারিখের রেজুলেশন প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়েই বাস্তবায়নের জোর দাবি উত্থাপন করেন।

Manual5 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code