Main Menu

সিলেটে অটোরিকশা চালককে হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

Manual1 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটে হযরত আলী (৩৫) নামের এক সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক হত্যা মামলায় পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৩০২ ও ৩৭৯/৩৪ ধারায় তাঁদের প্রত্যেককে ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

Manual7 Ad Code

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-৪ এর বিচারক শায়লা শারমিন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের রওশন আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩১), দক্ষিণ সুনামগঞ্জের মৃত বাদশা মিয়ার পুত্র সুমন আহমদ (২৯), দক্ষিণ সুনামগঞ্জের ফজিল বারীর ছেলে শিপু মিয়া (৩২) একই উপজেলার হাজী মুসুক মিয়ার ছেলে জাকারিয়া মুন্না (৩০) ও হরমুজ আলীর ছেলে রুহুল আমিন (৩০)।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদীপক্ষের আইনজীবি জায়েদা বেগম জানান, আদালতের স্বাক্ষ্য গ্রহনের পর থেকেই আসামিরা সবাই পলাতক রয়েছেন।

Manual4 Ad Code

মামলার বিবরণে জানাগেছে, ২০১৪ সালেন ১৭ আগস্ট দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা সিএনজি অটোরিকশা চালক হযরত আলীকে নিয়ে সিলেট থেকে বিয়ানীবাজার যান। সেখানে রাত এগারোটার দিকে কৌশলে তাকে ছুরিকাঘাত করে সিএনজি নিয়ে পালিয়ে যায়। এর পরদিন নিহতের ভাই শুক্কুর আলী এ ঘটনায় বিয়ানীবাজার থানায় মামলা দায়ের করেন। হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ দশ বছর পর বৃহস্পতিবার পাঁচ জনের ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত।

হযরত আলীর বাড়ি সুনামগঞ্জ সদর থানার জাহাঙ্গীর নগর গ্রামে হলেও দীর্ঘ দিন থেকে দক্ষিণ সুরমা থানাধীন আলমপুর এলাকায় বসবাস করতেন। তাঁর পেটসহ শরীরের ১৭ জায়গায় জখম ছিল। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে যানা গেছে।

Manual4 Ad Code

মামলার রায়ে খুশি নিহতের পরিবার। নিহতের ভাই শুক্কুর আলী জানান, আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। দীর্ঘ দশ বছর পর ভাই হত্যার বিচার পেয়ে খুশি তারা। তবে আসামিরা এখনো পলাতক রয়েছেন। তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে ফাঁসি কার্যকর করার দাবি জানান তিনি।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুস সাত্তার এপিপি বলেন, এই রায় সিলেটের জন্য একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। বিজ্ঞ আদালত যুক্তিতর্ক শেষে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরই এ রায় দিয়েছেন। আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট।

রাষ্ট্রপক্ষের আরেক আইনজীবী এডিশনাল পিপি দীনা ইয়াসমিন জানান, আমরা চাইবো পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে রায় কার্যকর করা।

বাদীপক্ষের আইনজীবি জায়েদা বেগম জানান, মামলায় ১২ জনের সাক্ষ্য প্রমাণ দেওয়া হয়েছে। নিহত হযরত আলীকে যখন ছুরিকাঘাত করে ফেলে যাওয়া হয় তখন স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে। এসময় তিনি এই ঘটনার সাথে জড়িতদের নাম উল্লেখ করে যান। বিজ্ঞ আদালত যুক্তিতর্ক শেষে ৩০২/৩৪ ধারায় এ রায় দিয়েছেন। আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট।

 

 

Manual2 Ad Code

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code