Main Menu

কমলগঞ্জে বকেয়া মজুরির দাবীতে চা বাগান সমুহে মানববন্ধন

Manual6 Ad Code

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে এনটিসি’র মালিকানাধীন চা বাগান সমুহে পৃথক পৃথক ভাবে বকেয়া মজুরির দাবীতে চলছে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন।

Manual7 Ad Code

শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন চা শ্রমিকরা। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসুচীতে বাগানের প্রায় দেড় হাজার চা শ্রমিক অংশ গ্রহণ করেছে। পৃথক ভাবে মদনমোহনপুর, চাম্পারায়, বাঘাছড়া,পদ্মছড়া চা বাগানে চা শ্রমিকরা ১ ঘন্টা কর্মবিরতি পালন করেছেন।

জানা যায়, ন্যাশনাল টি কোম্পানির (এনটিসি) মালিকানাধীন কমলগঞ্জে চা বাগান সমুহে চা শ্রািমকরা গত ২০ দিন কাজ করে ও তাদের সাপ্তাহিক হাজরী(মজুরী বা তলব) বন্ধ রয়েছে। ফলে শ্রমিকরা আর্থিক অনটনে মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। বকেয়া মজুরি ও প্রফিডেন্ট ফ্রান্ডের টাকা,রেশন ও চিকিৎসাসেবা প্রদানের দাবীতে কুরমা চা বাগানে ফ্যাক্টরির প্রদান ফটকের সম্মুখে সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন চা শ্রমিকরা।

Manual8 Ad Code

কুরমা চা বাগানে মানববন্ধন শেষে প্রতিবাদ সভায় পঞ্চায়েত সভাপতি নারদ পাসী তার বক্তব্যে বলেন,চা বাগানের শ্রমিকরা ২০ দিন ধরে মজুরি পাচ্ছেন না। শুধু মজুরী নয় তাদের রেশন ও চিকিৎসা সেবাও বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও ১৫ মাস ধরে প্রফিডেন্ট ফ্রান্ডের টাকা দিচ্ছেনা। কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সবকিছু লুটেপুটে খেয়েছে। কত কষ্ট করে প্রতিদিন শ্রমিকরা কাজ করে যাচ্ছে, কিন্তু মজুরি বন্ধ করে রাখা হয়েছে। এতে করে তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছে। অনেক দোকানীরা বাকি দিতে চাইছে না। দ্রুত বকেয়া মজুরি প্রদান না করা হলে আগামী সোমবার থেকে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

Manual5 Ad Code

চা শ্রমিক মুক্তার রানী বাউরী বলেন,২০ দিন ধরে মজুরি বন্ধ। পরিবারের লোকজনদের নিয়ে না খেয়ে থাকতে হচ্ছে। এখন আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। আরেক শ্রমিক সাথী বিলাস বলেন,মজুরি বন্ধ থাকায় বাগানের কোনো দোকানপাট থেকে বাকিতেও কোনো কিছুই ক্রয় করতে পারছি না। এভাবে মজুরি বন্ধ থাকলে আমাদের না খেয়ে মরতে হবে। আরো বক্তব্য রাখেন,স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল হক,পঞ্চায়েত সদস্য নওশাদ আহমেদ,বালক দাস পাইনকা,চা শ্রমিক সন্ধ্যা বুনার্জী,প্রদীপ রজক,যোগেষ রজত,দিলীপ পাইনকা, চা নেত্রী গীতা রানী কানু প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা আরো বলেন, আগামী সোমবারের মধ্যে আমাদের বকেয়া মজুরি প্রদান না করা হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুশিয়ারি দেন চা শ্রমিকরা। কুরমা চা বাগানের ম্যানেজার ইউসুফ খাঁন বলেন,কোম্পানির পরিচালনা পরিষদ ভেঙ্গে গেছে। তাই সমস্যা হচ্ছে। পুনরায় পরিচালনা পরিষদ গঠন হলে সমস্যা থাকবে না।

Manual1 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code