দেশের যে এলাকায় বিয়ে করে স্বামীকে ঘরে তোলেন বউ!
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী বিয়ের পর মেয়েরা পরিবার ছেড়ে চলে যান শ্বশুর বাড়িতে। তবে এদেশেরই বড় একটি জনগোষ্ঠীতে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। সেখানে ছেলেরা বিয়ের পর নিজের পরিবার ছেড়ে চলে যান স্ত্রীর বাড়িতে। সারাজীবনের জন্য সেখানেই সংসার করেন তারা।
মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকার ছেলেরা বিয়ের পর নিজের পরিবার ছেড়ে চলে যান স্ত্রীর বাড়িতে।এখানে এমনই রীতি চলে আসছে যুগ যুগ ধরে।
জানা যায়, ধুমধাম করে নেচে গেয়ে আয়োজন করে ফুলের মালা পড়িয়ে, নাচের তালে তালে বরকে মেয়ের বাড়িতে তোলা হয়। যদিও এর আগে, ঘণ্টা বাজলে ছেলে-মেয়ে উভয়কে সাজিয়ে আনা হয় গির্জায়। সেখানেই বিয়ের কাজ সম্পন্ন করান তাদের ফাদার। বিয়ের পর মেয়েরা স্বামীকে নিয়ে চলে যান বাবার বাড়ি। মা, বোন, খালাদের সঙ্গে ছেলেদের নিয়ে সংসার করেন মেয়েরা।
মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকার মাতৃপ্রধান খাসিয়াদের প্রাচীন ঐতিহ্য এটি। যাদের প্রধান ব্যবসা পান, সুপারী ও জুম চাষ। এরা অধিকংশই খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী।
স্থানীয়রা জানায়, বিয়ের কাজ শেষ হলে কেক কাটা হয়। সেখানে বর-কনে একে অপরকে কেক খাওয়ানো হয়। তারা বিশ্বাস করেন, কেক কাটার কারণ, সম্পর্কের একটি চিহ্ন। যার অর্থ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সম্পর্কের একটি প্রতীক থাকে তাদের মধ্যে। এটাই তাদের সংস্কৃতি।
মাগুরছড়া খাসিয়া পুঞ্জির নেতা জিডিসন প্রধান সুচিয়াং জানান, ছেলে যতই সম্পদশালী হোক তাকে এক রাতের জন্য হলেও মেয়ের বাড়িতে থাকতে হবে। এটাই তাদের পুরোনো রীতি।
গারো এবং খাসিয়া দুই জনগোষ্ঠী মাতৃতান্ত্রিক। দুই জনগোষ্ঠীর সম্পদের উত্তরাধিকার হন নারীরা। ফলে নারীদের গুরুত্ব বেশি এবং নারীদের কাছে পুরুষরা যান। তবে প্রচলন থাকলেও আধুনিক বাস্তবতায় তা অনেকটা কমেছে।
Related News
বউকে ছেড়ে ৫২ বছরের শাশুড়িকে বিয়ে করলেন ৩৫ বছরের যুবক!
Manual4 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ভারতের উত্তর প্রদেশের কানপুর দেহাত জেলায় এক অদ্ভুত পারিবারিকRead More
যে দেশে ৯৬ বছরেও কোনো শিশু জন্ম নেয়নি
Manual1 Ad Code আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: বিশ্বের নানা প্রান্তে জন্মহার হ্রাস নিয়ে যখন রাষ্ট্রপ্রধানরা দুশ্চিন্তায়, তখনRead More



Comments are Closed