Main Menu

বিশ্বনাথ উপজেলা চেয়ারম্যান নুনু মিয়ার বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

Manual8 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম নুনু মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট সাইবার ট্রাইব্যুনালে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।এই মামলাসহ মোট ৯টি মামলায় অভিযুক্ত হলেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম নুনু মিয়া।

Manual4 Ad Code

সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে খায়রুল ইসলাম (৫৩) নামের এক ব্যক্তি ওই মামলাটি দায়ের করেন। তিনি বিশ্বনাথ পৌর শহরের পার্শ্ববর্তী জানাইয়া গ্রামের আব্দুল বারির ছেলে। তার দায়ের করা সাইবার মামলা নং ১৯০/২০২৩।

এদিকে, মামলাটি সাইবার ট্রাইব্যুনালে হলেও শুনানি হয় সিলেট মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে। শুনানি শেষে সাইবার ওই আদালতের বিচারক ও জেলা জজ মো. সাইফুর রহমান মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠাতে সিলেটের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) দায়িত্ব দিয়েছেন।

Manual1 Ad Code

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অ্যাডভোকেট সুমন পারভেজ ও বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. আব্দুস সালাম। তারা বলেন, সিলেট মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে শুনানি শেষে মামলাটি তদন্তের জন্য সিলেট পিবিআইকে দায়িত্ব দিয়েছেন আদালত।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, মামলায় দু’জনকে আসামি করা হয়েছে। এতে প্রধান আসামি করা হয়েছে উপজেলা চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এসএম নুনু মিয়াকে। আর দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে হয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক নুরুল হককে (৫৫)। অভিযুক্ত নুরুল হক পূর্ব-জানাইয়া গ্রামের আব্দুল আলীর ছেলে।

এই মামলাসহ মোট ৯টি মামলায় অভিযুক্ত হলেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম নুনু মিয়া।

এরমধ্যে গত ১০ সেপ্টেম্বর সরকারি গভীর নলকূপ বরাদ্দের নামে লাখ টাকা আত্মাতের অভিযোগ এনে একদিনেই তার বিরুদ্ধে সিলেটের সিনিয়র জুডিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট প্রথম আদালতে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেন উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের তিন ভূক্তভোগী। মামলা তিনটিতেই উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম নুনু মিয়া ও তার পিএস বিশ্বনাথ পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য দবির মিয়াকে আসামি করা হয়েছে। আর তিন মামলাতেই দবির মিয়াকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্ত দবির পৌরসভার মিয়াজানেরগাঁও গ্রামের মৃত সাজিদ মিয়ার ছেলে। মামলার বাদী তিনজনের হলেন- দিঘলী (দত্তপুর) গ্রামের রইছ উদ্দিন (৫৫)। তার দায়ের করা (বিশ্বনাথ সিআর ৩৪৬/২০২৩)। বশিরপুর (উত্তর সিরাজপুর) গ্রামের জমির আলী (৪০) (বিশ্বনাথ সিআর ৩৪৫/২০২৩) ও একানিধা গ্রামের মোতাওয়াল্লী মো.আব্দুল্লাহ (৫০) করা মামলা হলো (বিশ্বনাথ সিআর ৩৪৪/২০২৩)।

মামলার সত্যতা জানিয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সুমন পারভেজ বলেন, মামলা তিনটি তদন্তের জন্য সিআইডিকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন বিচারক।

এরআগে গত ৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার একদিনে দুটি মামলা দায়ের করা হয় চেয়ারম্যান নুনুর বিরুদ্ধে। পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য ও শ্রমিক নেতা মো.ময়না মিয়া ও অপর মামলা দায়ের করেন উপজেলা যুবলীগ নেতা রাজন আহমদ অপু।

শ্রমিক নেতা মো.ময়না মিয়া সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালে নুনু মিয়াকে একমাত্র আসামী করে এ মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ১৭১/২৩)। মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের জন্য নির্দেশ দেন আদালতের বিচারক মনির কামাল।

Manual8 Ad Code

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবি অ্যাডভোকেট মিছবাহুর রহমান আলম।

অপরদিকে, এস এম নুনু মিয়া এবং পৌরসভার মিয়াজানেরগাঁও গ্রামের মৃত সজিদ মিয়ার ছেলে কথিত পিএস দবির মিয়াকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন পৌর শহরের মুফতিরগাঁও গ্রামের মৃত তজম্মুল আলীর ছেলে ও উপজেলা যুবলীগ নেতা রাজন আহমদ অপু। তিনি ‘সিলেট সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ১ম আদালতে’ দায়ের করা বিশ্বনাথ সিআর মামলা নং ৩৩৮/২০২৩ইং দায়ের করেন।

সরকারি বরাদ্দের ‘রাস্তার উন্নয়ন ও ডিপ টিউবওয়েল (গভীর নলকূপ)’ প্রদানের প্রলোভন দেখিয়ে ৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এ মামলা দায়ের করা হয়।

Manual1 Ad Code

এরপূর্বে গত ২২ আগস্ট সরকারি বরাদ্দের নামে ৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম নুনু মিয়া ও তার পিএস দবির মিয়া’সহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন জামাল আহমদ নামের এক ভুক্তভোগী। মামলা নং বিশ্বনাথ সিআর ৩১৬/২০২৩ইং।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code