Main Menu

সিলেটে শাহজালাল মাজারে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের বক্তব্য নিতে গিয়ে হেনস্থার শিকার সাংবাদিকেরা

Manual7 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হয়ে প্রথমবার সিলেটে এসেই হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর দরগাহ শরিফ জিয়ারত করেছেন হুমায়ুন কবির। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজ আদায় শেষে তিনি দরগাহ শরিফ জিয়ারত করেন। এ সময় তিনি দরগাহ শরিফে অবস্থান করে দোয়া ও মোনাজাত করেন। তবে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য নিতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকেরা। এর প্রতিবাদে সংবাদ সংগ্রহ থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।

জানাযায়, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী মাজার প্রাঙ্গণেই গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার কথা ছিল প্রতিমন্ত্রীর। মুসল্লিদের বের হওয়ার সুবিধার্থে মূলধারার সব গণমাধ্যমকর্মী মাজারের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেন। এক পর্যায়ে নেতা-কর্মীদের চাপে সেখানে কাজ করা সম্ভব না হওয়ায় গণমাধ্যমকর্মীরা মাজারের বাইরে চলে আসেন। এ সময় জিয়ার সৈনিক এক হও স্লোগান দিয়ে একদল লোক সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয়।

Manual1 Ad Code

এ বিষয়ে যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিক নাবিল হোসাইন ফেসবুকে লেখেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হয়ে প্রথমবার সিলেটে আসেন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। যথারীতি জুমার পর তিনি হযরত শাহজালাল (র.) মাজার জিয়ারত করেন। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী সেখানেই গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার কথা ছিল প্রতিমন্ত্রীর। মুসল্লিদের বের হওয়ার সুবিধার্থে মূলধারার সব গণমাধ্যম মাজারের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে নেতাকর্মীদের চাপে সেখানে কাজ করা সম্ভব না হওয়ায় গণমাধ্যমকর্মীরা মাজারের বাইরে চলে আসেন। তখনই কয়েকজন যুবক গণমাধ্যমের ওপর চড়াও হয়ে যান। হেনস্তাকারীদের দাবি ছিল, ‘মন্ত্রীর বক্তব্য না নিয়ে স্থান ত্যাগের সাহস গণমাধ্যমের হয় কীভাবে।’

Manual2 Ad Code

নাবিল হোসাইন আরও লেখেন, তারপর বিচ্ছিন্নভাবে সেখানে উপস্থিত একাধিক গণমাধ্যমকর্মী হয়রানির শিকার হয়েছেন। নিন্দা জানিয়ে রাখলাম।

স্টার নিউজের সিলেটের ব্যুরো চিফ ইয়াহ্ইয়া মারুফ বলেন, যথারীতি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের একটি ব্রিফিং দেয়ার কথা ছিল। আমরা গণমাধ্যমকর্মীরা সেখানে সংবাদ সংগ্রহেই যাই তবে জুমার নামাজ শেষে যখন প্রতিমন্ত্রী বের হয়ে আসছিলেন তখন তার সাথে নেতাকর্মীদের ভীড়ে ধাক্কাধাক্কির কারণে আমরা মাজার প্রাঙ্গনে বক্তব্য নিতে না পেরে মাজারে বাহিরে চলে আসি। সেসময় বিএনপির দলীয় কয়েকজন নেতাকর্মী আমাদের উপর চড়াও হন। টেলিভিশন সাংবাদিকদের সাথে খারাপ আচরণ করেন তাৎক্ষনিক আমরাও প্রতিবাদ করি এবং সংবাদ সংগ্রহের পরিবেশ না থাকায় আমরা স্থান ত্যাগ করে চলে আসি।

Manual7 Ad Code

চ্যানেল ওয়ানের সাংবাদিক এম এ কাইয়ুম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘আপনাদের গায়ে শক্তি আছে বলে এটা করলেন! স্লোগান দিলেন, সাংবাদিকদের গায়ে হাত দিলেন। তাও প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সাহেবের সামনে। আমাদের বয়কট করা ছাড়া আর কী করার আছে। শুভকামনা আপনাদের প্রতি।’

এ ঘটনার প্রতিবাদে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরসহ স্থানীয় বিএনপির পরবর্তী কর্মসূচিগুলোর সংবাদ সংগ্রহ থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্থানীয় টেলিভিশন সাংবাদিকরা।

এদিকে এ ঘটনার বিষয়ে জানতে সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী ও সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা ফোনটি রিসিভ করেননি।

 

Manual3 Ad Code

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code