Main Menu

ভোলায় নতুন কূপে গ্যাসের বড় রিজার্ভের সন্ধান

Manual1 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ভোলায় নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। ইলিশা নামের ওই কূপে ৩টি স্তরে গ্যাস রয়েছে। একটি স্তরের (৩৪৩২-৩৪৩৫) পরীক্ষা শেষ হয়েছে, এতে দৈনিক ১৪ মিলিয়ন পর্যন্ত উৎপাদন সম্ভব বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।

Manual5 Ad Code

এখন পর্যন্ত সিলেট অঞ্চলে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ গ্যাসের রিজার্ভ পাওয়া গেছে। সিলেটের পর ভোলায় দেশের গ্যাসের বড় রিজার্ভ বলে মনে করা হচ্ছে। যেখানে কূপ খনন করা হচ্ছে তাতেই গ্যাসের সন্ধান মিলছে। ধারণা করা হচ্ছে এই গ্যাসের স্তর সাগর এবং বিচ্ছিন্ন দ্বীপ পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত।

বাপেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী জানিয়েছেন, আরও দুটি স্তরের পরীক্ষা শেষ হবে মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে। যে স্তরে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যাবে, সেখান থেকে উৎপাদন শুরু করা হবে। আশা করছি ভালো উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

Manual5 Ad Code

গত জানুয়ারিতে ভোলা নর্থ-২ উন্নয়ন কূপে গ্যাসের সন্ধান মিলিছে। কূপটিতে ৩ হাজার ৪শ’ ২৮ মিটার গভীরতায় খনন করা হয়। ডিএসটি সম্পন্নের সময়ে ২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার বিষয়ে ধারনা করছে বাপেক্স।

Manual7 Ad Code

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিকল্পনা অনুসারে চালাতে হবে। ২০২২-২৫ সময়কালের মধ্যে পেট্রোবাংলা ৪৬টি অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও ওয়ার্কওভার কূপ খননের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। অফসোর ও অনসোরে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম আরও বাড়ানোর নির্দেশ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিক ভাবে কাজ করছে। দেশীয় জ্বালানির উৎস অনুসন্ধান কার্যক্রম বাড়ানোর সাথে সাথে কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ব্রুনেইসহ গ্যাস ও তেল উৎপাদনকারী দেশসমূহের সাথে দীর্ঘ মেয়াদী ও স্বল্প মেয়াদী চুক্তির প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ সীমানায় প্রথম কূপ খনন করা হয় ১৯১০ সালে। এখন পর্যন্ত (১১০ বছরে) ৯৬টি কূপ খননের মাধ্যমে ২৮টি গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কার হয়েছে।

Manual4 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code