Main Menu

তাহিরপুরে যুবককে তুলে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

Manual2 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: পূর্ব বিরোধের জের ধরে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় সাকিব মিয়া (২৭) নামে এক যুবককে তুলে নিয়ে গিয়ে এরপর নির্যাতনে হত্যা করেছে তার প্রতিপক্ষের লোকজন।

সোমবার (২৪ এপ্রিল) রাতে উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাকিব মিয়া ঘাগটিয়া গ্রামের মো. মজিবুরের ছেলে।

Manual1 Ad Code

নিহতের ফুফাত ভাই কতুব উদ্দিন জুয়েল জানান, সোমবার রাত আটটার দিকে ঘাগটিয়া গ্রামের বাজারে নিহত সাকিবের সঙ্গে একই গ্রামের ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ নেতা মোশাররফ হোসেনের পূর্ব বিরোধের জের ধরে বাকবিতণ্ডা চলছিল। এরপর পরই মোশাররফ হোসেনের নির্দেশে ৭/৮ জন মিলে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সাকিবকে ধরে নিয়ে যায় মোশারফের বাড়িতে। সেখানে সাকিবকে আটকে রেখে নির্যাতন করে।

Manual6 Ad Code

খরব পেয়ে সাকিবের পিতা মজিবুরসহ তার আত্মীয় স্বজন সাকিবকে উদ্ধার করতে গেলেও উদ্ধার করতে পারেনি। রাতে নির্যাতনের ফলে সাকিবের অবস্থা আশংকাজনক হলে মোশাররফ হোসেন তাদের লোকজনকে দিয়ে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ তাকে মৃত ঘোষণা করার পর সাথে যাওয়া লোকজন গা ঢাকা দেয়। এদিকে রাত থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত সাকিবের কোনো তথ্যই পায়নি পরিবারের লোকজন।

এরপর তাহিরপুর, সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে খোঁজ করে না পেয়ে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে সকাল ১১টায় জানতে পারেন রাতে সাকিবকে লোকজন নিয়ে আসে। এই খবর জানাজানি হলে সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

Manual3 Ad Code

নিহত সাকিবের বাবা মজিবুর জানান, কিছু দিন আগেও একই ভাবে মারধর করে গুরুতর আহত করেছিল মোশাররফের লোকজন। এছাড়াও ২০১৬ সালে ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন ও জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুর রহমানের ছোট ভাই আকাশের সাথে ঝগড়া করে হাতের দুটি আঙুল কেটে ফেলেছিল নিহত সাকিবের বাবা মজিবুরের। এরপর সাকিবের বাবার বাড়িঘর আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। এই ঘটনা উভয় পক্ষই আপোষে মীমাংসা করা হয়েছিল। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।

Manual5 Ad Code

নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করে তাহিরপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ ইফতেখার হোসেন জানান, নিহতের লাশ সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে, সেখানেই ময়নাতদন্ত হবে। এরপর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

সুনামগঞ্জ সহকারী পুলিশ সুপার (ক্রাইম) রিপন কুমার মোদক জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code