Main Menu

শিশুর নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহারে করণীয়

Manual4 Ad Code

প্রযুক্তি ডেস্ক: পড়াশোনা ও কাজের পাশাপাশি বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম ইন্টারনেট। এখন ইন্টারনেট ছাড়া এক মুহূর্ত চলে না। আর দেশে এক মূল্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ও মেয়াদহীন ডাটা প্যাকেজ চালু হয়েছে। ফলে বেড়েছে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা। কিন্তু ইন্টারনেটে আমরা সবাই কি নিরাপদ? মোটেও তা নয়।

Manual3 Ad Code

প্রযুক্তি ব্যবহারে দায়িত্বশীলতা, সৃজনশীলতা ও নিরাপদ থাকা জরুরি। নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার খুব যে কঠিন তা কিন্তু নয়। সাইবার হামলাকারীদের থেকে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য ও ডিভাইস রক্ষা করে প্রয়োজনীয় কনটেন্ট ব্যবহার করাই মূলত নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহার।

নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সচেতনতা। নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ‘অনলাইন নিরাপত্তা’র বিষয়ে ভালো ধারণা থাকা প্রয়োজন। কম্পিউটার, স্মার্টফোন ব্যবহারের করলেও ইন্টারেনট ব্যবহারে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। পাশাপাশি সন্তানদের নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দিতে তাদের ব্রাউজিং ইতিহাস (যেসব ওয়েবসাইট দেখা হয়েছে) দেখা উচিত। শিশুরা কতক্ষণ ইন্টারনেট ব্যবহার করবে, তা নির্ধারণের পাশাপাশি ‘প্যারেন্টাল কন্ট্রোল’ সুবিধার মাধম্যে শিশুর জন্য অনুপযুক্ত সাইটগুলো ব্লকও করতে হবে।

Manual4 Ad Code

প্যারেন্টাল কন্ট্রোল হচ্ছে শিশুদের জন্য আপত্তিকর বা অনুপযুক্ত ওয়েবসাইট ব্লক বা ওয়েবসাইটের কনটেন্ট ফিল্টার করার ব্যবস্থা। ‘প্যারেন্টাল কন্ট্রোল’ সুবিধাটি ব্যবহার করলে অনলাইনে অশ্লীল ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট চালু হয় না। ফলে শিশুরা চাইলেও ওয়েবসাইটগুলোর কনটেন্ট দেখতে পারে না। এর পাশাপাশি চাইলে শিশুদের জন্য সাধারণ ইউটিউবের বদলে ‘ইউটিউব কিডস’ সংস্করণটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

শুধু তাই নয়, স্ক্রিন টাইম (ভিডিও বা কনটেন্ট দেখার সময়) নির্ধারণের মাধ্যমে শিশুদের ইউটিউবে ভিডিও দেখার সময়ও বেঁধে দেওয়া যাবে। ‘প্যারেন্টাল কন্ট্রোল’ সুবিধা কাজে লাগিয়ে অনলাইন জুয়া পরিচালনাকারী বিভিন্ন ওয়েবসাইটও ব্লক করে দেওয়া যায়। প্রতিদিন কোন সময়ে কতক্ষণ সন্তান ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে, তা আগে থেকেই নির্দিষ্ট করে দেওয়া যাবে। ফলে সন্তান আপনার অগোচরে তার জন্য উপযোগী নয়, এমন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে না পারার পাশাপাশি অতিরিক্ত সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে না।

করোনাকালে শিশুদের পড়াশোনা বা প্রয়োজনীয় কাজে ইন্টারনেট ব্যবহার করতেই হয়। তাই অভিভাবকদের পাশাপাশি শিশুদের অনলাইন সুরক্ষায় শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরও দায়িত্ব রয়েছে। কারণ, আমরা যদি শিশুদের জন্য ডিজিটাল স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চাই, তাহলে তাদেরকে নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের কৌশল শেখানোর মাধ্যমেই অনলাইনে নিরাপদ রাখতে হবে।

Manual5 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code