Main Menu

জকিগঞ্জে নিখোঁজ শিশুকন্যার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের জকিগঞ্জে নিখোজের পাচদিনের মাথায় ৭ বছরের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ পাওয়া গেছে। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার পৌর এলাকার কেছরি গ্রামের একটি পরিত্যাক্ত ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

এরআগে শুক্রবার সন্ধ্যা পর জকিগঞ্জ পৌর এলাকার কেছরী গ্রামের ঝুপড়িতে বস্তাবন্দী একটি শিশুর লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা।

ঘটনাটি জকিগঞ্জ থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তখন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পাঁচদিন ধরে নিখোঁজ থাকা সাম্মী আক্তারের লাশ বলে সনাক্ত করেন তার বাবা আজমল হোসেন।

নিহত শাম্মী আক্তার (৭) স্থানীয় ভরন মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেনীর ছাত্রী ও জকিগঞ্জ সদর ইউপির মানিকপুর গ্রামের আজমল হোসেনের মেয়ে। শাম্মি আক্তারের বাবা জকিগঞ্জ থানা পুলিশের বাবুর্চির কাজ করায় বর্তমানে পৌর এলাকার পীরেরচক গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেলে খেলতে বাড়ি থেকে বের হয় সাম্মী। এরপর থেকে তার খোঁজ মিলেনি। এলাকায় মাইকিং করা হয়। পরদিন ৫ সেপ্টেম্বর সোমবার তার পিতা আজমল হোসেন বাদি হয়ে নিখোঁজের বিষয়ে জকিগঞ্জ থানায় সাধারন ডায়রী করেন। ঘটনার পাঁচদিনের মাথায় শুক্রবার সন্ধ্যায় কেছরী গ্রামের ঝুপড়ির মাঝে শিশুর বস্তাবন্দী লাশ পাওয়ার খবর পেয়ে তিনি সেখানে গিয়ে তার মেয়ের লাশ সনাক্ত করেন। তার অবুঝ শিশু কন্যাকে কারা কেন নির্মমভাবে হত্যা করলো সেটা তিনি বলতে পারেননি। তিনি একটি হত্যা মামলা দায়ের করবেন বলে জানান। অবুঝ শিশু কন্যা সাম্মী আক্তার হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবীর জানিয়েছেন এলাকার সর্বস্থরের মানুষসহ সাম্মী আক্তারের মা-বাবা।

ধারনা করা হচ্ছে তাকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর বস্তাবন্দী করে পরিত্যক্ত ডোবায় ফেলে দেয় দুর্বৃক্তরা।

জকিগঞ্জ থানার ওসি মো. মোশাররফ হোসেন জানান, লাশ ময়না তদন্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে। জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করতে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।

Share





Related News

Comments are Closed