Main Menu

জননেতা আব্দুল হামিদের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয় সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্যারিস্টার আরশ আলী বলেছেন, আদর্শকে কেন্দ্র করে এদেশের গরীব দুঃখী, কৃষক-শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যারা নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন তাদের মধ্যে জননেতা আব্দুল হামিদ ছিলেন অন্যতম। জননেতা আব্দুল হামিদ ছিলেন গণমানুষের নেতা, তিনি রাজনীতি করেছেন শোষণ মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য। ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত সাম্রাজ্যবাদ ও স্বৈরাচার বিরোধী প্রতিটি গণসংগ্রামে এবং স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে তিনি অবতীর্ণ হয়েছেন এক অক্লান্ত যোদ্ধার ভ‚মিকায়। এদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সমাজ প্রগতির লড়াই সংগ্রামে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়। এক অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক ও শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্নে বিভোর হয়ে এই লক্ষ্যেই তিনি আমৃত্যু সংগ্রাম করে গেছেন।

গত ১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে ভাষা সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সিলেট জেলা গণতন্ত্রী পার্টির সাবেক সভাপতি, গণতান্ত্রিক, সমতাভিত্তিক একটি অসাম্প্রদায়িক সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের অগ্রসৈনিক, বরেণ্য রাজনীতিবিদ জননেতা আব্দুল হামিদের ২০তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে গণতন্ত্রী পার্টি সিলেট জেলা ও মহান শাখার উদ্যোগে মরহুম জননেতা আব্দুল হামিদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কবর জিয়ারত শেষে মরহুমের পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ উপস্থিত নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গণতন্ত্রী পার্টির সিলেট জেলা সহ-সভাপতি আসাদ খান, সৈয়দ ছয়েফ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক জুনেদুর রহমান চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গুলজার আহমদ, সিলেট মহানগর গণতন্ত্রী পার্টির আহবায়ক মাছুম আহমদ, যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক প্রাণকান্ত দাস, জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক আজিজুর রহমান খোকন, দুলাল আহমদ, ৯নং ওয়ার্ড গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতি আতিকুর রহমান কয়েছ, শংকর ঘোষ প্রমুখ।

এর আগে জননেতা আব্দুল হামিদ সমাধিতে গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন। বিজ্ঞপ্তি

 

0Shares





Related News

Comments are Closed