Main Menu

জাতীয় কবির ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: অন্যায়ের বিরুদ্ধে দ্রোহ, মানবতার প্রেম, সাম্যবাদ ও প্রকৃত ইসলামী চেতনা দীপ্ত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে এক দোয়া মাহফিল ২৭ আগস্ট শনিবার বাদ আছর সিলেট নগরীর বন্দরবাজারস্থ হাজী কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সিনিয়র আইনজীবী নাসির উদ্দিন, সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন চৌধুরী, উপদেষ্টা নেছারুল হক চৌধুরী বুস্তান, সাধারণ সম্পাদক মকসুদ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল হোসাইন চতুলী, মামুনুর রশীদ এডভোকেট, প্রচার সম্পাদক মীর আব্দুল করিম পাখী মিয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য আব্দুল মোতাওয়াল্লী ফলিক, কয়েছ আহমদ সাগর, আমিরুল হোসেন চৌধুরী আমনু, রফিকুল ইসলাম সিতাব, দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ইমাম হোসেন, সহ সভাপতি নিয়াজ কুদ্দুস খান, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব ইকবাল মুন্না, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ নূর আহমদ জুনেদ প্রমুখ সহ মুসল্লিগণ।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের রূহের মাগফেরাত কামনা বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন হাজী কুদরত উল্লাহ হাফিজিয়া মাদরাসার শিক্ষক হাফিজ মাওলানা হোসাইন আহমদ ।

উল্লেখ্য, কবির পরমায়ূ ৭৭ বছর। ১৩০৬ বাংলার ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিম বঙ্গের বর্ধমান জেলায় চরুলিয়া গ্রামে কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম। তাঁর ডাক নাম ছিল দুখু মিয়া। বাবার নাম কাজী ফকির আহমদ ও মাতা জাহেদা খাতুন। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র সামাল দিয়ে বড় হয়েছেন তিনি। রুটির দোকানে কাজ করা, লেটোর দলে গান করা, সৈনিক, সাংবাদিকতা সহ জীবিকার প্রয়োজনে বিচিত্র পেশা বেছে নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু লোভ-লালসা, খ্যাতি ও অর্থবিত্তের বৈভরের কাছে আপোষ করেননি। ‘চির উন্নত মম শির’ বলে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন শোষিত বঞ্চিত মানুষের মুক্তির জন্য।

অপর দিকে তিনি ছিলেন চির প্রেমের কবি। সাহিত্য চর্চা করতে গিয়ে তিনি তার উৎস ও ঠিকানা ভুলে যাননি। তিনি নিজেই বলেছেন, ‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য। বিজ্ঞপ্তি

Share





Related News

Comments are Closed