চা-শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর দাবি
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: চা-শ্রমিকদের চলমান মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন শ্রমিকদের সর্বাত্মক অংশগ্রহণে ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলনকে লাগাতার ধর্মঘটে পরিণত করে বাজারদরের সাথে সংগতিপূর্ণ মজুরি আদায় করতে হবে ।
এমনটা জানিয়ে গনমাধ্যমে বিবৃতি প্রদান করেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন।
বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুরুজ আলী ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ ছাদেক মিয়া বর্তমান চা-শ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে দাবি জানান যে, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্দ্ধগতির বাজারে একজন চা-শ্রমিকের সর্বোচ্চ দৈনিক মজুরি মাত্র ১২০ টাকা। চা-শিল্পের ১৬৮ বছরের ইতিহাসে শ্রমিকদের মজুরি ১৬৮ টাকাও করা হয়নি। অথচ শ্রমিকদের হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমে প্রতিবছরই দেশে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদিত হচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমানে পাঁচ-সাতজনের একটি পরিবারের জন্য যেখানে ন্যূনতম ৬৭০-৭০০ টাকা দরকার হয়, সেখানে চা-শ্রমিক ইউনিয়ন দাবিই করেছে মাত্র ৩০০ টাকা, সেখানে চা-শ্রমিক ইউনিয়নের এই ভূমিকা প্রশ্নসাপেক্ষ এমনকি ২০২০ সালেও তারা একই মজুরির দাবি জানিয়েছিল।
তারা বলেন, দৈনিক ৬৭০ টাকা মজুরিসহ চা-শিল্পে শ্রমআইনের লঙ্ঘন প্রতিরোধ, গণতান্ত্রিক শ্রমআইন প্রণয়ন ও শ্রমআইন মোতাবেক নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র, সার্ভিসবুক দেওয়াসহ অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন নিশ্চিত করতে হবে।
একই সঙ্গে আন্দোলনকারী শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ থেকে সব ধরনের আপোসকামিতার ও ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে। ন্যায্য মজুরির দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত দৃঢতার সঙ্গে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে।
Related News
গোলাপগঞ্জের কুশিয়ারা নদীতে উৎসবমুখর নৌকা বাইচ
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার মীরগঞ্জে কুশিয়ারা নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবারRead More
জকিগঞ্জে মা-সন্তানকে বেঁধে ডাকাতি, স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুট
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের জকিগঞ্জে গভীর রাতে বসতবাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে এক গৃহকর্ত্রী ওRead More



Comments are Closed