Main Menu

স্কলার্সহোমে শিক্ষার্থীদের বেধড়ক মারধর, একজন গুরুতর আহত

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের স্কলার্সহোম স্কুল অ্যান্ড কলেজের শাহী ঈদগাহ শাখায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। শ্রেণিকক্ষে চিৎকার চেচামেচির অভিযোগে ওই শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিল ডাউন করে স্কেল দিয়ে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক জালাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে।

এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ইয়াছির রাব্বানি চৌধুরী নামের এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হওয়ায় তাকে বাসায় চিকিৎসা প্রদানের পর শুক্রবার হাসপাতালে ভর্তি করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তার অভিভাবকরা।

ইয়াছির রাব্বানি চৌধুরীর বাবা মুহিবুল হোসেন চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান- তাঁর ছেলেসহ সপ্তম শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীকে চিৎকার চেচামেচির অভিযোগে বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) দুপুরে স্কলার্সহোম স্কুল অ্যান্ড কলেজের শাহী ঈদগাহ শাখার শিক্ষক জালাল উদ্দিন বর্বরভাবে নির্যাতন করেছেন। শিক্ষার্থীদের তিনি নিল ডাউন করে পেছন দিকে মাথা নিয়ে স্কেল দিয়ে বেধড়ক পিটিয়েছেন। এতে মুহিবুল হোসেনের ছেলে ইয়াছির ঘাড়ে মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বাসায় ফিরলে তাকে বৃহস্পতিবার রাতে বাসায়ই চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। তবে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় আজ ইয়াছিরকে হাসপাতালে ভর্তি করা লাগবে বলে জানান মুহিবুল হোসেন চৌধুরী।

তিনি বলেন- ‘আমার ছেলের ঘাড় বেঁকে গেছে। শরীরে প্রচন্ড ব্যথা। এ অবস্থায় আমার ছেলের জীবন নিয়ে আমি শঙ্কিত। জানতে পেরেছি- আমার ছেলে ছাড়াও বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে এভাবে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। স্ট্যান্ডার্ড একটি শিক্ষা প্রতষ্ঠানে যদি এভাবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বর্বর আচরণ করা হয় তবে আমরা সন্তানদের কোথায় পড়ালেখা করতে দিবো?’

মুহিবুল হোসেন চৌধুরী এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন- আমরা অভিভাবকরা এ শিক্ষকের বরখাস্তসহ কঠোর শাস্তির দাবি করছি। পাশাপাশি এরকম ঘটনা আর যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে সে পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।

এদিকে, ঘটনার পর স্কলার্সহোম স্কুল অ্যান্ড কলেজের শাহী ঈদগাহ শাখা কর্তৃপক্ষ ইয়াছিরের বাবা মুহিবুল হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তবে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে এখনও কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

Share





Related News

Comments are Closed